
শেষ আপডেট: 25 March 2020 14:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো : 'মানবিক কারণে' বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শাস্তি ছ'মাসের জন্য স্থগিত রাখল আদালত। বুধবার ছাড়া পেলেন ৭৫ বছর বয়সী খালেদা। শারীরিক অসুস্থতার জন্য তিনি ভর্তি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে। সেখান থেকে এদিন বিকাল চারটে বেজে ১৪ মিনিটে তাঁকে পরিবারের লোকজনের সঙ্গে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়।
প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এদিন ছিলেন তাঁর বোন সেলিমা রহমান, ছোটভাই শামিম ইস্কান্দার এবং তাঁর স্ত্রী কানিজ ফতেমা। সকালে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কমল বলেন, খালেদা আগামী ছ'মাস তাঁর ভাইয়ের বাড়িতে থাকবেন।
এদিন দুপুর দু'টো বেজে ৪০ মিনিট নাগাদ খালেদার ব্যক্তিগত গাড়িটি হাসপাতাল চত্বরে ঢুকতে দেখা যায়। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরাও সেখানে যান। খালেদাকে যে চার চিকিৎসক দেখছিলেন, তাঁরাও এইসময় হাসপাতালে প্রবেশ করেন। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসপাতালের প্রিজন সেলের ৬১২ ও ৬১৩ নম্বর ঘরে ছিলেন। সেখান থেকেই তিনি মুক্তি পান। এইসময় খালেদার দল বিএনপি-র সাধারণ সম্পাদক মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগিরকেও হাসপাতাল চত্বরে দেখা যায়। খালেদা ২০১৯ সালের এপ্রিল থেকে ওই হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন।
১৯৯১ থেকে ১৯৯৬ এবং ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত দু'বার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই অ্যান্টি করাপশন কমিশন জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট কেসে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করে। অভিযোগ, তিনি ওই ট্রাস্টের ১ কোটি ৮৮ লক্ষ টাকা তছরুপ করেছিলেন।
২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিশেষ আদালত তাঁকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেয়। ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি হাইকোর্ট তাঁর সাজার মেয়াদ বাড়িয়ে ১০ বছর করে।