এই বিশেষ সফটওয়্যার একই নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যের মিল খুঁজে দ্রুত চিহ্নিত করতে পারবে সম্ভাব্য ডুপ্লিকেট ভোটারদের(SIR West Bengal – Duplicate voter)।

ছবি: এআই
শেষ আপডেট: 4 December 2025 22:34
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডুপ্লিকেট ভোটার শনাক্ত এবার আরও শক্তিশালী প্রযুক্তির সাহায্য নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। আজ, বৃহস্পতিবার থেকেই চালু হল একেবারে নতুন সফটওয়্যার ডেমোগ্রাফিক সিমিলার এন্ট্রিজ (Demographic Similar Entries), যা এই প্রথমবার ব্যবহার করছেকমিশন। এই বিশেষ সফটওয়্যার একই নাম, ঠিকানা বা অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্যের মিল খুঁজে দ্রুত চিহ্নিত করতে পারবে সম্ভাব্য ডুপ্লিকেট ভোটারদের(SIR West Bengal – Duplicate voter)।
কমিশন সূত্রের খবর, ইআরও (Electoral Registration Officer)–দের ড্যাশবোর্ডে ইতিমধ্যেই এই নতুন ফিচার দেখা যাচ্ছে। কয়েক দিনের মধ্যেই ডিইও (District Electoral Officer)–দের ড্যাশবোর্ডেও এটি যুক্ত হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে এই সুবিধা পাবে সিইও (Chief Electoral Officer) দফতর।
নির্বাচন কমিশনের মতে, ভোটার তালিকা স্বচ্ছ ও নির্ভুল রাখার ক্ষেত্রে এই সফটওয়্যার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। একই ব্যক্তির নাম বিভিন্ন ঠিকানায় আছে কি না, কিংবা তথ্যের ভুল ব্যবহার হয়েছে কি না, তা এখন আরও সহজে ধরা সম্ভব হবে।
প্রশাসনের এক কর্তার মন্তব্য, “ডেমোগ্রাফিক সিমিলার এনট্রিস চালু হয়ে যাওয়ায় ডুপ্লিকেট এন্ট্রি খুঁজে বের করা দ্রুত, নির্ভুল ও স্বয়ংক্রিয় হবে। এতে ভোটার লিস্ট আপডেট করার প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ হবে।’’
বাংলায় SIR শুরু হওয়ার আগে বিজেপির অনেক নেতাদাবি করছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে ১ কোটিরও বেশি ভোটারের নাম বাদ যাবে। কিন্তু সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর দেখা যাচ্ছে, সংখ্যাটা তার ধারে কাছেও পৌঁছয়নি। বৃহস্পতিবার বেলা পর্যন্ত মোট অসংগৃহীত এনুমারেশন ফর্মের (un collectable enumeration form) সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫২, ০৮, ৪৩১। এর মধ্যে মৃত ভোটার ২৩ লক্ষ ৩৪ হাজার। ৯ লক্ষ ভোটারের খোঁজ পাওয়া যায়নি। ১৮ লক্ষ ভোটার স্থায়ী ভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন।
কমিশন সূত্রে বলা হচ্ছে, বাংলায় এখনও পর্যন্ত সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন যে ইনপুট নিচুতলা থেকে পাওয়া গিয়েছে, তাতে বেশ কিছু গলদের আশঙ্কা রয়েছে। একই ভোটারের বাংলার মধ্যে বা বাংলার বাইরে অন্য রাজ্যেও ভোটার তালিকায় নাম থাকতে পারে। এখানে উল্লেখ করার মতো বিষয় হল, সম্প্রতি রাহুল গান্ধীও সাংবাদিক বৈঠক করে দেখিয়েছেন, কীভাবে কর্নাটক ও হরিয়ানায় একই ভোটারের চার থেকে আটটি বুথে নাম রয়েছে। বলা যেতে পারে, সে কারণেই এবার নতুন ছাঁকনি আনল কমিশন।