মৎস্যজীবীদের আশা, গত তিন বছরের তুলনায় এবারে বেশি পরিমাণ 'রুপোলী শস্য' বাজারে ঢুকতে পারে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 16 June 2025 18:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত শনিবার রাতে ইলিশের (Hilsa) খোঁজে সুন্দরবন থেকে গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিয়েছিল মৎস্যজীবীদের একাধিক ট্রলার। সোমবার চলে এল খুশির খবর। প্রায় ২৫ টন 'রুপোলি শস্য' নিয়ে ফিরে এসেছে সেগুলি। অন্যান্য মাছের পাশাপাশি এত ইলিশও ধরা পড়েছে মৎস্যজীবীদের জালে।
দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) কাকদ্বীপের (Kakdwip) নামখানার খেয়াঘাটে সকাল সকাল তাই ছিল আনন্দের ধারা। আষাঢ় মাসের প্রথম দিনেই মৎস্যজীবীদের মুখে হাসি ফুটিয়েছেন 'রুপোলি শস্য'র খবর। কাকদ্বীপ ফিশারমেন অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক বিজন মাইতির কথায়, আবহাওয়া যদি সঙ্গ দেয় তাহলে এবছর ইলিশ নিয়ে বারেবারে সুখবরই আসবে। তিনি এও বলেন, আর মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই বিভিন্ন বাজার ভরে যাবে 'মাছের রাজা'য়।
সবই তো হল, কিন্তু দাম (Hilsa Price)? বিজন জানাচ্ছেন, পুরোটাই নির্ভর করছে পর্যাপ্ত সরবরাহের ওপর। শুরুর দিকে চড়া দামই থাকবে ইলিশের। তবে ঠিক মতো জোগান হলেই ধীরে ধীরে তা আমজনতার হাতের নাগালেও চলে আসবে। তবে সেটা মোটামুটি কতদিনের মধ্যে হবে, সে ব্যাপারে আশ্বাস দিতে পারেননি তিনি।
মৎস্যজীবীদের আশা, গত তিন বছরের তুলনায় এবারে বেশি পরিমাণ 'রুপোলী শস্য' বাজারে ঢুকতে পারে। তাঁদের কথায, অতীতে আবহাওয়া অনুকুল না থাকায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার ক্ষেত্রে একাধিক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। ফলে সেই অর্থে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশের দেখা মেলেনি। এবারে সেই তুলনায় আবহাওয়া বেশ ভাল। ফলে অন্যান্যবারের তুলনায় এবারে বেশি মাছের আশা করা হচ্ছে।
বস্তুত, প্রতি বছর ১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন মাছের প্রজনন কাল। এই সময় নদী ও সমুদ্রে মাছ ধরার উপর সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকে। সরকারিভাবে চালানো হয় নজরদারিও। শনিবার সেই সময়সীমায়া শেষ হওয়ায় মধ্যরাতেই গভীর সমুদ্রের উদ্দেশে রওনা দেয় ট্রলারগুলি। ফল, হাতেনাতে।