
শেষ আপডেট: 29 March 2020 18:30
৫) স্বাস্থ্যকর্মী এবং কোয়ারেন্টাইন বা আইসোলেশনে থাকা রোগীদের দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন যাঁরা, প্রতিদিন তাঁদের কাছে এক লক্ষ মাস্ক পৌঁছে দেওয়া হবে।
৬) সংক্রামিত রোগীদের কাছাকাছি থাকতে হচ্ছে যাঁদের সেইসব স্বাস্থ্যকর্মী, আশা কর্মীদের জন্য প্রতিদিন হাজারের বেশি জরুরি পোশাক, পিপিই পৌঁছে দেওয়া হবে।
৭) জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে, রোগীদের দ্রুত আইসোলেশনে নিয়ে আসা বা স্বাস্থ্যকর্মীদের সুবিধার জন্য বিনামূল্যে জ্বালানির ব্যবস্থা করছে রিল্যায়ান্স পরিবার।
8) নেট পরিষেবার দিকে খেয়াল রাখছে রিল্যায়ান্স জিও। লকডাউনের এই সময় বাড়ি থেকে যাঁদের কাজ করতে হচ্ছে সেইসব কর্মীদের জন্য, ছাত্রছাত্রী যাঁরা বাড়ি থেকে পড়াশোনা করছেন তাঁদের জন্য এবং বাড়ি থেকে যে বিশেষ চিকিৎসার ব্যবস্থা বা ডাক্তারি পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা তাঁদের জন্য নেট পরিষেবা আরও দ্রুত করতে বিশেষ ব্যবস্থা করছে জিও।
৫) দৈনন্দিন ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের জোগান দিচ্ছে রিল্যায়ান্স রিটেল।
করোনার বিরুদ্ধে লড়বে ভারত—কোভিড-১৯ রুখতে দেশের স্লোগান এখন এটাই। লড়াইয়ের ময়দানে দেশের অন্যতম শক্ত খুঁটি হল রিল্যায়ান্স পরিবার। তাদের ‘রিল্যায়ান্স অ্যাকশন প্ল্যান’ সাড়া ফেলে দিয়েছে দেশে। রিল্যায়ান্স ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নীতা আম্বানির উদ্যোগ ও তত্ত্বাবধানে হাসপাতাল, আইসোলেশন ওয়ার্ড, স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ সুযোগ সুবিধা আনা হয়েছে। শহরে শহরে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বিনামূল্যে খাবার ও প্রয়োজনীয় জিনিসের জোগান দেওয়ার আয়োজন করেছে রিল্যায়ান্স ফাউন্ডেশন। চেয়ারম্যান নীতা আম্বানি বলেছেন, “করোনার বিরুদ্ধে লড়তে একজোট হয়েছে দেশ। দেশবাসীর পাশে দাঁড়িয়েছে রিল্যায়ান্স ফাউন্ডেশন। খাদ্য, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, পরিবহন যে কোনও জরুরি পরিষেবায় হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আমাদের সংস্থা। বিশেষত মহিলা ও শিশুদের পাশে আছি আমরা। ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী যাঁরা প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন তাঁদের জন্য সবরকম সুযোগসুবিধা আনছে রিল্যায়ান্স ফাউন্ডেশন।” দেশের গরিব শ্রমিক, দিনমজুরদের পাশে থাকার বার্তাও দিয়েছেন নীতা আম্বানি। বলেছেন, দেশের গরিব, দুঃস্থদের জন্য বিনামূল্যে মিল, ওষুধ, মাস্ক ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসের জোগান দেবে রিল্যায়ান্স ফাউন্ডেশন।
বাড়িতে বসেই জরুরি মেডিক্যাল চেকআপ সেরে ফেলার জন্য জিও এনেছে সিম্পটম চেকার। প্রতি মুহূর্তে রিয়েল টাইম ডেটা দেবে তারা। দেশজুড়ে রিল্যায়ান্সের ৭৩৬টি স্টোর রয়েছে। কাঁচা আনাজ, দুধ, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুত রাখা হয়েছে রিল্যায়ান্সের প্রতিটা স্টোরে। সকাল ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত খোলা থাকবে প্রতিটা স্টোর। পরিস্থিতি যতই জটিল হোক, দেশবাসীর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন রিল্যায়ান্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানি। বলেছেন, “আমাদের বিশ্বাস ভারত করোনা যুদ্ধে জয়ী হবে। দেশের সঙ্কটের সময় আমরা পাশে আছি, থাকব। যুদ্ধজয়ে দেশের শক্তি হবে রিল্যায়ান্স পরিবার।”