
শেষ আপডেট: 12 June 2023 08:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাইকোর্টের নির্দেশের পরই আইআইটি খড়্গপুরের ছাত্র ফাইজান আহমেদের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয়। এবার সেই রিপোর্টেও মিলল খুনের ইঙ্গিত! সূত্রের খবর, ফাইজানের দেহে যে ক্ষত চিহ্ন পাওয়া গেছে, সেটাই মৃত্যুর কারণ হতে পারে।
আত্মহত্যা নয়, ফাইজানকে খুন করা হয়েছে, এমনই দাবি তুলেছিল তাঁর পরিবার। সেই নিয়ে হাইকোর্টে মামলাও করা হয়। শেষ শুনানিতে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা বলেছিলেন, ময়নাতদন্তের প্রথম রিপোর্ট প্রভাবিত করা হয়েছে বলে মনে হয়। কারণ যেভাবে ফাইজানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকার পরেও সেটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, তাতে সন্দেহের জায়গা তৈরি হয়েছে। এমনকী ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ অজয় গুপ্তার কমিটি আদালতে রিপোর্ট দিয়ে খুনের ইঙ্গিত দিয়েছিল।
গত ১৪ অক্টোবর হস্টেলের ঘরে মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হয় ২৩ বছর বয়সি ফাইজানের দেহ। আইআইটি খড়্গপুর এই ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে দাবি করে। যদিও ফাইজানের পরিবার তা মানতে রাজি ছিল না। 'সুবিচার' চেয়ে হাইকোর্টে মামলা করেন তাঁরা।
তারপরই হাইকোর্ট দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। সেই মতো গত মাসে অসমের ডিব্রুগড়ের কবরস্থান থেকে ফাইজানের দেহ তোলা হয়। হাইকোর্ট মনোনীত বিশেষজ্ঞদের দিয়ে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত করা হয় ফাইজানের। সেই রিপোর্ট এখনও আদালতে জমা না পড়লেও সূত্রের খবর, রিপোর্টে ফাইজানের মৃত্যু, আত্মহত্যার বদলে খুনের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এদিকে, ফাইজানের মৃত্যু নিয়ে আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়েছে আইআইটি খড়্গপুর কর্তৃপক্ষ। বিচারপতি বলেছিলেন, তারাও ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় আংশিকভাবে দায়ী। এমনকী গত শুনানিতে এই খুনের মামলার তদন্ত রাজ্য পুলিশের সিটের হাতে দেওয়া হতে পারে বলেও জানিয়েছিল আদালত।
গর্ভবতী মহিলাদের ‘সুন্দরকাণ্ড’ পড়া উচিত: তামিলিসাই সুন্দররাজন