দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া। প্রশ্ন উঠছে, চিনা মাঞ্জার বিরুদ্ধে প্রশাসন কবে কড়া পদক্ষেপ নেবে? নাকি প্রশাসনের নজরদারি শুধুই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে?

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 17 September 2025 15:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিশ্বকর্মা পুজোর (Biswakarma Puja) ঘুড়ির আনন্দ মুহূর্তে বিষাদে পরিণত হল বুধবার দুপুরে। ফের চিনা মাঞ্জার (Chinamanjara) ঘাতক ছোবলে প্রাণ হারালেন এক প্রাক্তন সেনাকর্মী (Ex-soldier dies)। ঘটনাটি ঘটেছে ব্যারাকপুরের কাছে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের উপর (Kalyani Expressway)।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বাইকে করে এয়ারপোর্টের দিকে যাচ্ছিলেন ওই প্রাক্তন সেনাকর্মী। আচমকা উড়ে আসা চিনা মাঞ্জার ধারালো সুতো গলায় জড়িয়ে যায়। মুহূর্তে কেটে যায় গলা, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান বাইক-সহ। সঙ্গে সঙ্গেই স্থানীয়রা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
বিশ্বকর্মা পুজোর সময়ে কলকাতা ও আশপাশের এলাকায় ঘুড়ি ওড়ানোর চল বহু পুরনো। কিন্তু বিপজ্জনক চিনা মাঞ্জা ব্যবহার রোধে কার্যত ব্যর্থ প্রশাসন। সাধারণ সুতো নয়, কাঁচ ও আঠা মিশিয়ে তৈরি হয় এই মাঞ্জা— যা একেবারে ছুরি সমান ধারালো। ফলে সামান্য অসাবধানতাও হয়ে উঠতে পারে প্রাণঘাতী।
এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিক প্রাণ কেড়েছে এই চিনা মাঞ্জা। অভিযোগ, তবুও তার আমদানি ও বিক্রি বন্ধে নেই কোনও দৃঢ় পদক্ষেপ। কলকাতা হাইকোর্টও অতীতে এই মাঞ্জা নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল।
দুর্ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া। প্রশ্ন উঠছে, চিনা মাঞ্জার বিরুদ্ধে প্রশাসন কবে কড়া পদক্ষেপ নেবে? নাকি প্রশাসনের নজরদারি শুধুই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ থাকবে?