দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০০৬ সাল থেকে চলা জম্মু কাশ্মীরের নাবালিকাকে যৌন হেনস্থা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হল পাঁচজন। এদের মধ্যে আছে বিএসএফের প্রাক্তন ডিআইজি কে সি পাধী, জম্মু কাশ্মীর পুলিসের প্রাক্তন ডিএসপি মহম্মদ আশরাফ মির, শাব্বির আহমেদ লয়ায়, শাব্বির আহমেদ লানগু ও মাসুদ আহমেদ।
দীর্ঘ ১২ বছর ধরে চলা এই মামলায় বুধবার এই রায় দেয় চণ্ডীগড়ের বিশেষ সিবিআই আদালত। সাজা ঘোষণা করা হবে ৪ জুন।
তবে এই মামলায় বেকসুর ছাড়া পেয়েছেন জম্মু কাশ্মীরের প্রাক্তন অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারাল অনিল শেঠি ও ব্যবসায়ী মেহরাজুদ্দিন মালিক। অন্য দুই অভিযুক্ত শাবিনা ও তার স্বামী আবদুল হামিদ বুল্লা মামলা চলার সময়েই মারা গিয়েছে।
২০০৬ সালে মার্চ মাসে, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের হাতে আসে দুটো অশ্লীল সিডি। ১৬ বছরের এক নাবালিকার নগ্ন ভিডিও পাওয়া যায় তাতে।
ঘটনা জানাজানি হতেই চাঞ্চল্য ছড়ায় জম্মু কাশ্মীরে। সেই বছরই মে মাসে মামলার তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয় সিবিআইকে।
উঠে আসে জম্মু কাশ্মীরের সেই সময়ের দুই মন্ত্রী ও বিধায়কের নামও। শোনা যায়, জম্মু ও কাশ্মীরের বহু প্রভাবশালী ব্যক্তিই এই যৌন কেলেংকারিতে যুক্ত। এরপরই এই মামলা সরিয়ে দেওয়া হয় চণ্ডীগড়ে।
সিবিআই তদন্তে জানা যায়, ক্লাস সেভেনের পড়ুয়া ১৩ বছর বয়সী দরিদ্র পরিবারের ওই নাবালিকা সাহায্য চাইতে গিয়েছিল সাবিনা ও আবদুল হামিদের কাছে। সেই সময় ওই দু’জন তাকে মধুচক্রে শামিল করে। তোলা হয় তার অশ্লীল ভিডিও।
আদালতে টি আই প্যারেডে ওই নাবালিকা অভিযুক্ত ছয় জনকে চিহ্নিতও করে। প্রাক্তন ডিআইজি পাধিকে ছবি দেখে চিনতে পারে। সে জানায়, এরা সকলেই তাঁকে ধর্ষণ করেছে। পরে অবশ্য, আদালতে অনিল শেঠি ও ব্যবসায়ী মেহরাজুদ্দিন মালিককে চিনতে চায় না সে।