
শেষ আপডেট: 24 February 2023 05:33
ইউরোপীয় স্পেস এজেন্সি জানাচ্ছে, বুধের পৃষ্ঠদেশ ও ভেতরের ছবি তুলবে এই স্পেসক্রাফ্ট। এতদিন মঙ্গলে প্রাণের আশায় লাফালাফি হচ্ছিল, এবার বুধে কী রহস্য লুকিয়ে আছে তার খোঁজ করা হবে। ৪৬০ কোটি বছর আগে বুধের জন্মের পর গ্রহটি নাকি চেহারায় অনেক ছোট হয়ে গেছে বলে দাবি করেছিল নাসা।
মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থার মহাকাশযান মেরিনার-১০ বুধের এলাকায় ঘুরেফিরে ছবি তুলে বলেছিল গ্রহটি ১.২ থেকে ২.৫ মাইল বা দুই থেকে চার কিলোমিটার ছোট হয়ে গেছে, এর পৃষ্ঠদেশ নাকি কুঁচকে গেছে। বুধের দেশে মেসেঞ্জার নামক আরও একটি মহাকাসযানকে পাঠিয়েছিল নাসা। সেটিও দেখে এসে বলেছিল গ্রহটি চেহারায় খাটো হয়ে যাচ্ছে ক্রমশ। এবার ইএসএ-র মহাকাশযান কী রিপোর্ট দেয় সেটাই দেখার।
বুধের পাশাপাশি শুক্র গ্রহেও পাড়ি দেবে ইউরোপের মহাকাশযান। ২০২৮ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে নাসারও যমজ মিশন রয়েছে শুক্রে। একটি দ্য ভিঞ্চি, শক্র গ্রহের আবহাওয়া, পরিবেশ, মাটি, বাতাসে কার্বন ডাই অক্সাইডের ঘনত্ব মাপবে। বাতাসে কী গ্যাস আছে, মাটিতে কত খনিজ, তার পরিমাণ করবে। দ্বিতীয় মিশন, ভেরিটাস, শুক্র গ্রহের অজানা রহস্যের কথা সামনে আনবে। তেইশ সালের জুনে শুক্রের দিকে উড়ে যাবে ইসরোর শুক্রযান। শুক্রযানের প্রযুক্তি ও তার যন্ত্রপাতির কিছুটা অংশ তৈরি করছে ফরাসি মহাকাশ গবেষণা সংস্থা রসকসমস এবং কিছুটা সুইডেনের আইআরএফ। শুক্রযানের জন্য ‘ভেনুসিয়ান নিউট্রাল অ্যানালাইজার (VNA)’ তৈরি করেছে আইআরএফ। এই যন্ত্রের কাজ হল সূর্য থেকে ছিটকে আসা সৌরকণার উপর নজর রাখা। কীভাবে মহাজাগতিক রশ্মি ও সৌরকণারা শুক্রের পরিমণ্ডলে ঢুকে পড়ে সেটা নির্ণয় করবে ভিএনএ।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'