সংস্থার দাবি, প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের মাত্রা সুষম রাখতেই নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মুরগি পালন ও ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 18 December 2025 18:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্বাস্থ্যসচেতন ক্রেতাদের কথা মাথায় রেখে (Emphasis on health awareness) নতুন পথে হাঁটল রাজ্য সরকারি সংস্থা হরিণঘাটা। সাদা ডিমের দীর্ঘদিনের একচ্ছত্র দাপটের পাশে এ বার জায়গা নিল নতুন সংযোজন, হরিণঘাটার ‘ব্রাউন এগ’ (Haringhata's Brown Egg)। খামার থেকে সরাসরি বাজারে এল এই বিশেষ জাতের ডিম।
হরিণঘাটা সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্দিষ্ট জাতের মুরগি থেকে উৎপাদিত হচ্ছে এই ব্রাউন ডিম। কুসুমের রং তুলনামূলক ভাবে গাঢ়, আর পুষ্টিগুণ ঘিরে ইতিমধ্যেই কৌতূহল বাড়ছে ক্রেতাদের মধ্যে। সংস্থার দাবি, প্রোটিন ও প্রয়োজনীয় ভিটামিনের মাত্রা সুষম রাখতেই নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মুরগি পালন ও ডিম উৎপাদন করা হচ্ছে।
হরিণঘাটার এক আধিকারিক বলেন, ‘‘ব্রাউন ডিম নিয়ে বাজারে আলাদা আগ্রহ রয়েছে। অনেকের ধারণা, এই ডিম তুলনামূলক ভাবে বেশি পুষ্টিকর। সেই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই এই উদ্যোগ। উৎপাদনের প্রতিটি ধাপেই গুণমান বজায় রাখার উপর জোর দেওয়া হয়েছে।’’
প্রাথমিক ভাবে কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার হরিণঘাটার নিজস্ব বিক্রয়কেন্দ্রগুলিতে মিলবে এই ব্রাউন ডিম। চাহিদা বাড়লে ধাপে ধাপে রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও সরবরাহ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যেই রাখার চেষ্টা করা হয়েছে বলেই সংস্থা সূত্রে খবর।
পুষ্টিবিদদের একাংশের মতে, ডিমের রং নয়, আসল বিষয় হল উৎপাদনের মান ও মুরগির খাদ্য। সেই দিক থেকে সরকারি সংস্থার তত্ত্বাবধানে উৎপাদিত ডিমের উপর মানুষের আস্থা স্বাভাবিক ভাবেই বেশি। হরিণঘাটার এই নতুন উদ্যোগ সেই বিশ্বাসকে আরও মজবুত করবে বলেই মত তাঁদের।
স্বাস্থ্য আর ভরসার মেলবন্ধনে হরিণঘাটার ‘ব্রাউন এগ’ বাজারে কতটা জায়গা করে নিতে পারে, এখন সেদিকেই নজর।