
শেষ আপডেট: 10 April 2024 13:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শাহজাহানের পর এবার তাঁর ভাই আলমগীর সহ দুই শাগরেদকে জেরা করতে চায় ইডি। বুধবার ব্যাঙ্কশাল কোর্টের বিশেষ আদালতে শেখ আলমগির, শিবু হাজরা এবং দিদার বক্সকে হেফাজতে নেওয়ার আর্জি জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
বর্তমানে শেখ আলমগীর, শিবু হাজরা এবং দিদার বক্স জেল হেফাজতে রয়েছেন। তাঁদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শাহজাহান-রহস্যের আরও তথ্য হাতে পেতে চায় তদন্তকারীরা। সেই মর্মেই বুধবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তিনজনকে হেফাজতে চেয়ে আবেদন করেন ইডির আইনজীবী।
ইতিমধ্যে শাহজাহানকে জেরা করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য এসেছে। জমি জালিয়াতি সহ একাধিক অপরাধমূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলেন শাহজাহান, সেই প্রমাণ মিলেছে। কিছুদিন আগেই ইডির আইনজীবী আদালতে দাবি করেছিলেন, ওই এলাকায় একটি সিন্ডিকেট চলছিল এবং সেটির মাস্টারমাইন্ড ছিলেন শাহজাহান। কীভাবে কালো টাকা সাদা করা হত, সেই ব্যাখ্যাও আদালতে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনজীবী। শেখ শাহজাহানের সম্পত্তি নিয়ে আরও বিশদে তথ্য জোগাড় করতেও আসরে নেমেছে ইডি। সেই সূত্র ধরেই ইতিমধ্যে সোমবারের পর বুধবারও শাহজাহানের স্ত্রীকে তলব করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এরই মধ্যে এবার শাহজাহানের ভাই এবং তাঁর দুই শাগরেদকেও হেফাজতে চাইছেন তদন্তকারীরা।
অন্যদিকে, ইডির তলবে বুধবার সকালে সিজিও কমপ্লেক্সে যায় শাহজানের স্ত্রী তসলিমা বিবি। ইডি সূত্রের খবর, পরিবারের কোথায় কত সম্পত্তি রয়েছে সেবিষয়ে শেখ শাহজাহানের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। শাহাজানের মুখোমুখি বসিয়েও তাঁর স্ত্রীকে জেরা করা হতে পারে।
রেশন দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন শেখ শাহহাজাহান। গত ৫ জানুয়ারি তৃণমূলের সাসপেন্ড হওয়া নেতা শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে আক্রান্ত হন ইডি অফিসাররা। দীর্ঘদিন বেপাত্তা থাকার পর শাহজাহানকে রাজ্য পুলিশ গ্রেফতার করে। এরপর ইডির উপর হামলার ঘটনার তদন্ত করতে শাহজাহানকে নিজেদের হেফাজতে নেয় সিবিআই। সেই হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর বসিরহাট জেলে নিয়ে যাওয়া হয় শাহজাহানকে। গত ৩০ মার্চ জেলে রেশন দুর্নীতির তদন্তে শাহজাহানকে জেরা করতে যায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সেদিন রাতে জেল থেকেই তাঁকে গ্রেফতার করে ইডি।