গত অগস্টে ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের নাম তালিকাভুক্তি নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার দুই ‘নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক’ (ERO) ও দুই সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (এইআরও)-কে সাসপেন্ড করা এবং সংশ্লিষ্ট থানায় এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 14 February 2026 16:04
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটার তালিকায় (Voter List) অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে (Nandini Chakraborty) শুক্রবার বিকেলেই দিল্লি ডেকেছিল নির্বাচন কমিশন (ECI)। দফতরে হাজির হয়ে একাধিক নির্দেশ অমান্যের ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছিল তাঁকে। নন্দিনী চক্রবর্তী শুক্রবারই দিল্লি গেছিলেন এবং তাঁকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
গত অগস্টে ‘ভূতুড়ে’ ভোটারের (Fake Voters) নাম তালিকাভুক্তি নিয়ে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পূর্ব এবং পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার দুই ‘নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক’ (ERO) ও দুই সহকারী নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক (AERO)-কে সাসপেন্ড করা এবং সংশ্লিষ্ট থানায় এফআইআর দায়েরের নির্দেশ দিয়েছিল কমিশন। তা অমান্য করার প্রেক্ষিতে এবার ডেডলাইন দেওয়া হয়েছে। কমিশন স্পষ্ট বলেছে, আগামী ১৭ তারিখের মধ্যেই তাঁদের বিরুদ্ধে এফআইআর করতেই হবে রাজ্যকে। পাশাপাশি এতদিনে কমিশনের যে যে নির্দেশ কার্যকর হয়নি সেগুলিও পালন করে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে।
রাজ্যের ভোটার তালিকায় (West Bengal Voter List) অবৈধ ভাবে নাম তোলা-সহ একাধিক অনিয়মের অভিযোগে চার আধিকারিক এবং এক কর্মীর বিরুদ্ধে জেলা নির্বাচনী আধিকারিক তথা ডিইও-কে এফআইআর (FIR) করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন (ECI)। সেই প্রেক্ষিতে এর আগে নবান্ন কমিশনকে রিপোর্ট পাঠিয়ে বলেছিল, আপাতত তারা চারজন অফিসারকে সাসপেন্ড করছে। তাঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত করা হবে। এফআইআর যদি করতেই হয় তার জন্য আরেকটু সময় দেওয়া হোক। কিন্তু কয়েকমাস কেটে গেলেও নবান্ন এফআইআর করেনি। এবার সেই পরিপ্রেক্ষিতেই ডেডলাইন বেঁধে দিল কমিশন।
প্রসঙ্গত, এর আগে নবান্নকে দেওয়া চিঠিতে কমিশন স্পষ্ট বলেছিল, দু’জন ইআরও (ERO), দু’জন এআরও (AERO) এবং এক জন ডেটা এন্ট্রি অপারেটরের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এক এআরও ও বিডিও-র বিরুদ্ধে অননুমোদিতভাবে অতিরিক্ত এআরও নিয়োগের অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও তাঁকে এখনও সাসপেন্ড করা হয়নি। তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারের বদলির সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়নি, যা কমিশনের নির্দেশের পরিপন্থী। কমিশনের নির্ধারিত নিয়ম না মেনে এসডিও/এসডিএম স্তরের আধিকারিকদের ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। একইভাবে, রিটার্নিং অফিসার নিয়োগেও নির্দেশিকা মানা হয়নি বলে অভিযোগ।