তদন্তকারীরা প্রথমে স্বপ্নার ফোন রেকর্ড খতিয়ে দেখে। সেই সূত্র ধরে ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের উদ্ধার করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ৭ ফেব্রুয়ারি স্বপ্নাকে শেষবার প্রিন্সের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 14 February 2026 15:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাইওয়েতে বন্ধ স্যুটকেস থেকে উদ্ধার তরুণীর অর্ধেক পোড়া দেহ (Half-burnt body of woman found in suitcase), মৃতদেহ শনাক্ত হওয়ার পরই পুলিশ গ্রেফতার করে ৩৫ বছরের এক যুবককে (Man arrested)। তদন্তে জানা যায়, দু'দিনের ভয়ংকর পরিকল্পনার পর তরুণীকে খুন করে (allegedly murdering a woman) দেহ স্যুটকেসে ভরে হাইওয়েতে ফেলে আসা হয়েছিল। এই ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পাঞ্জাবের ভাটিণ্ডায়।
নিহত তরুণীর নাম স্বপ্না ওরফে মল্লিকা। মোগার বাঘাপুরানার বাসিন্দা হলেও তিনি কিছুদিন ধরে ভাটিণ্ডায় থাকছিলেন। গত ১১ ফেব্রুয়ারি তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছে। তবে ঘটনার সূত্রপাত ৯ তারিখ।
পুলিশের অনুমান, অভিযুক্ত প্রিন্স কুমারের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন স্বপ্না। ৯ ফেব্রুয়ারি তিনি যুবকের বাড়িতে গিয়েছিলেন। সেখানে দু'জনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়, তারপরই স্বপ্নাকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে খুন করেন প্রিন্স।
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, খুনের পর প্রিন্স প্রথম দু'দিন স্বপ্নার দেহ নিজের ঘরেই লুকিয়ে রেখেছিল। পরে প্রমাণ লোপাটের জন্য মৃতদেহ আগুনে পোড়ায়। তবে দেহ পুরোপুরি পোড়াতে না পেরে সেটিকে স্যুটকেসে ভরে গাড়িতে তোলেন।
১০ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে তিনি স্যুটকেসটি ভাটিণ্ডা-ফজিলকা হাইওয়ের (Bathinda-Fazilka Highway) ধারে ফেলে আসেন। ১১ তারিখ সকালে তাঁর দেহ উদ্ধার হয়েছিল।
তদন্তকারীরা প্রথমে স্বপ্নার ফোন রেকর্ড খতিয়ে দেখে। সেই সূত্র ধরে ১৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশের উদ্ধার করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ৭ ফেব্রুয়ারি স্বপ্নাকে শেষবার প্রিন্সের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল।
সন্দেহ হলে তাঁকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ (Police investigation)। জেরায় চাপের মুখে খুনের কথা স্বীকার করে নেন অভিযুক্ত। এরপর তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।
প্রিন্সের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে খুনে ব্যবহৃত অস্ত্র এবং গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। তবে কী কারণে খুন তা এখনও স্পষ্ট নয়, গোটা বিষয়টি বর্তমানে তদন্ত সাপেক্ষ।