
শেষ আপডেট: 25 November 2023 19:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো, বাকুঁড়া: মালদহের বামনগোলার পর এবার বাঁকুড়ার জয়পুর! ফের বেহাল রাস্তার জন্য মৃত্যুর অভিযোগ। দিনের পর দিন কাটা রাস্তা। ঘুরপথে হাসপাতালে যেতে গিয়ে পথেই মৃত্যু হল প্রসূতির।
পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে রাস্তার উপর তৈরি হচ্ছে পাকা তোরণ। আর তার জন্য রাস্তা কাটা রয়েছে বেশ কয়েকদিন। এই অবস্থায় শনিবার সকালে ঘুরপথে এক প্রসূতিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আর সেই কারণে পথেই প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে বলে তাঁর পরিবারের দাবি। এই ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভ দানা বেঁধেছে বাঁকুড়ার জয়পুরে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার জয়পুর ব্লকের ডান্ডে গ্রামে বাপের বাড়িতেই ছিলেন তাপসী মণ্ডল। সেখানেই শুক্রবা রাত থেকে তাঁর শারীরিক সমস্যা শুরু হয়। চিকিৎসকের পরামর্শ মতো পরিবারের লোকজন তাঁকে ওষুধও দেন। কিন্তু তারপরও সমস্যা ক্রমশ বাড়তে থাকায় এদিন ভোরে ওই প্রসূতিকে হাসপাতালে ভর্তির সিদ্ধান্ত নেন পরিবারের লোকজন।
প্রসূতিকে নিয়ে গাড়িতে করে প্রথমে বিষ্ণুপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন পরিবারের লোকজন। কিন্তু তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে তড়িঘড়ি নিকটবর্তী জয়পুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। আর হাসপাতালে পৌঁছনোর কিছুটা আগেই তোরণ তৈরির জন্য রাস্তা কাটা ছিল। তাই অনেকটা পথ ঘুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসতে হয় তাঁদের। আর তাতেই প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে দাবি করে তাঁর পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, তিন কিলোমিটার ঘুরপথে হাসপাতালে যেতে তাঁদের প্রায় ৪০ মিনিট সময় নষ্ট হয়। আর তার জেরেই হাসপাতালে পৌঁছানোর আগে পথেই প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে।
এদিকে মৃতার পরিবার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ। তাঁর দাবি, রাস্তা কাটা থাকলেও পাশের রাস্তা দিয়ে দ্রুত স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আসা যেত। বাড়িতেই প্রসূতির শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে পড়েছিল। অক্সিজেনের অভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি পঞ্চায়েত সমিতির।