.webp)
দিলীপ ঘোষ।
শেষ আপডেট: 11 May 2024 12:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত লোকসভা ভোটে রাজ্যের দুটি লোকসভা কেন্দ্র থেকে নাম মাত্র ভোটে জয়ী হয়ে সংসদে গিয়েছিলেন দু'জন প্রার্থী। জয়ের নিরিখে বাংলায় সবচেয়ে কম ব্যবধানে আরামবাগ থেকে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের অপরূপা পোদ্দার। তাঁর জয়ের ব্য়বধান ছিল ১ হাজার ১৪২! বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনে বিজেপির সুরিন্দর সিং আলুওয়ালিয়া জয়ী হয়েছিলেন ২ হাজার ৪৩৯ ভোটে।
ফলাফল দেখে সে সময় শোরগোল পড়ে গিয়েছিল রাজ্য রাজনীতিতে। কারণ, পুরসভা ভোটেও এর থেকে বেশি ভোটে জয়ী হন কাউন্সিলররা। এবারে বর্ধমান-দুর্গাপুর আসনে বিজেপি প্রার্থী করেছে মেদিনীপুরে বিদায়ী সাংসদ দিলীপ ঘোষকে। দিলীপের বিরুদ্ধে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কীর্তি আজাদকে।
শুরু থেকেই দু'জনে মাটি কামড়ে পড়ে থেকেছেন। শনিবার ছিল প্রচারের শেষ দিন। দুর্গাপুরের ধোবিঘাট এলাকায় রোড শো করেন দিলীপ।
মেদিনীপুরের থেকে লড়াইটা কি একটু বেশি কঠিন?
দিলীপের সটান জবাব, "রাজ্য সভাপতি থাকাকালীন মেদিনীপুরে আমার এলাকায় মাত্র ২০ দিন প্রচার করে ৯০ হাজার ভোটে জিতেছিলাম। এখানে এবারে দেড়মাস সময় পেয়েছি। প্রত্যেকটা এলাকায় প্রচার করেছি। তাছাড়া জেতা সিট, মার্জিনটা বাড়াতে হবে। খুব কঠিন কিছু নয়। কর্মীরাও পরিশ্রম করছেন। আশা করছি লক্ষাধিক ভোটে জিতব।"
অচেনা আসনে লড়াইয়ের অভিজ্ঞতা অবশ্য আগেও রয়েছে দিলীপের। ঝাড়গ্রামের গোপীবল্লভপুরে আদি বাড়ি দিলীপ ঘোষের। ২০১৬ সালে লড়াই করেছিলেন খড়গপুর বিধানসভা থেকে। ১৯৬৯ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত, মাঝে ৭৭ সালের ভোট বাদ দিলে প্রতিবারই এখান থেকে জয়ী হয়েছেন কংগ্রেসের প্রয়াত জ্ঞানসিং সোহন পাল ওরফে চাচা। ২০১৬ সালে চাচাকে ৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির তৎকালীন রাজ্য সভাপতি দিলীপ।
১৯ এর লোকসভা ভোটে বিজেপি দিলীপকে মেদিনীপুরে প্রার্থী করে। একদা সিপিআইয়ের দখলে থাকা এই আসনে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটে জয়ী হয়েছিলেন তৃণমূলের সন্ধ্যা রায়। তৃণমূলের দখলে থাকা আসনে প্রায় ৯০ হাজার ভোটে উনিশের নির্বাচনে জয়ী হন দিলীপ।
এখন দেখার খড়গপুর, মেদিনীপুরের ধারা বর্ধমান-দুর্গাপুরেও দিলীপ বজায় রাখতে পারেন কি না।