
শেষ আপডেট: 16 December 2022 16:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোনার কেল্লা ছবিতে জটায়ুর একটা ডায়লগ খুব হিট করেছিল। খোয়া যাওয়া ভোজালিটা পেয়ে লাফিয়ে উঠে বলেছিলেন, ‘এটা আমার!’
শুক্রবার সন্ধেয় প্রাক্তন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদম্বরমের (P Chidambaram) টুইটে কতকটা সে রকমই উত্তেজিত হয়ে পড়লেন তৃণমূলের রাজ্যসভার নেতা ডেরেক ও ব্রায়েন (Derek O'Brien)।
সংসদে একটি প্রশ্নের লিখিত জবাব দিয়েছে সরকার। তা উদ্ধৃত করে চিদম্বরম বলেন, “রাজ্যসভায় সরকার আজ প্রশ্নের জবাবে জানিয়েছে, ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত হিসাব হল সরকারের কাছে ১৯০ লক্ষ মেট্রিক টন গম মজুত রয়েছে। অথচ এই ত্রৈমাসিকের জন্য সরকারি নিয়মে ২০৫ লক্ষ মেট্রিক টন গম মজুত থাকা উচিত ছিল।”
চিদম্বরম টুইট করতেই তা ‘কোট’ করে ডেরেক লিখেছেন, এটা আমার প্রশ্ন ছিল। ধন্যবাদ মিস্টার চিদম্বরম। ডেরেক এও জানিয়েছেন, “গত বছরের জুলাই থেকে এ বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত সরকারের গমের মজুত ৬৮.৫ শতাংশ কমে গিয়ে হয়েছে ১৯০ লক্ষ মেট্রিক টন। আর গত বছরের মে থেকে এ বছর নভেম্বরের মধ্যে গমের দাম বেড়েছে ২০ শতাংশ।”
প্রশ্ন হল, এই যে সরকারি গুদামে গমের মজুত কমেছে, এর কী প্রভাব পড়তে পারে বাজারে? গমের চাহিদা কমেনি। কমার কথাও নয়। তা হলে জোগান কম থাকায় কি আটা-ময়দার দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে?
প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, ঠিক তাই। তাঁর কথায়, “সরকার যেটা বলেনি (পড়ুন রাজ্যসভায়), তা হল এই অপর্যাপ্ত মজুত ভাণ্ডারের কারণে গমের দাম বাড়তে পারে।” চিদম্বরম আরও বলেন, সরকার এও বলেনি যে গমের দাম বাড়লে তা নিয়ন্ত্রণ করার জন্যই বা কী ভাবছে!
সরকার যে লিখিত জবাব দিয়েছে তার লিঙ্ক টুইট করেছেন ডেরেক। তাতেই দেখা যাচ্ছে, গমের দাম গত ৬ মাসে কেজি প্রতি ৬ টাকা বেড়ে গিয়েছে। এখন মজুত কমে গেলে আগামী দিনে কী পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে তা কেউ জানে না!
মোদী সরকারকে নিশানা রাহুলের, 'যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন, ভারত ঘুমিয়ে আছে'