Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তানসরকারি গাড়ির চালককে ছুটি দিয়ে রাইটার্স থেকে হাঁটা দিলেন মন্ত্রী

জ্যোতি বসুর সাতগাছিয়া হয়ে উঠতে পারে মানিকের ধনপুর, মোদীর মন্ত্রী কি সোনালি হতে পারবেন!

শোভন চক্রবর্তী দুই জনপদের মধ্যে দূরত্ব ১ হাজার ৫৪৪ কিলোমিটার। একটি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, অন্যটি ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলায়। একটির নাম সাতগাছিয়া (Sat Gachhiya)। অপরটি ধনপুর। আর ক’দিন বাদেই ত্রিপুরায় বিধানসভা ভোট (Tripura Assembly

জ্যোতি বসুর সাতগাছিয়া হয়ে উঠতে পারে মানিকের ধনপুর, মোদীর মন্ত্রী কি সোনালি হতে পারবেন!

শেষ আপডেট: 9 February 2023 14:47

শোভন চক্রবর্তী

দুই জনপদের মধ্যে দূরত্ব ১ হাজার ৫৪৪ কিলোমিটার। একটি পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনায়, অন্যটি ত্রিপুরার সিপাহীজলা জেলায়। একটির নাম সাতগাছিয়া (Sat Gachhiya)। অপরটি ধনপুর। আর ক’দিন বাদেই ত্রিপুরায় বিধানসভা ভোট (Tripura Assembly Election)। এখন কৌতূহল, ধনপুর কি ত্রিপুরার সাতগাছিয়া হয়ে উঠবে?

কেন?

১৯৭২ সালের ভোটে বরানগরে হেরে গিয়েছিলেন জ্যোতি বসু (Jyoti Basu)। ১৯৭৭ সালে জ্যোতিবাবুর কেন্দ্র বদল করে দিয়েছিল পার্টি। ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের বরানগর থেকে সরিয়ে তাঁকে দাঁড় করানো হয়েছিল সাতগাছিয়ায়। তারপর সাতগাছিয়া ২০০১ পর্যন্ত ছিল বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র।

২০০০ সালের মাঝামাঝি সময়ে জ্যোতি বসু ঘোষণা করে দিয়েছিলেন, সংসদীয় রাজনীতিতে তিনি ইতি টানছেন। ২০০১-এর বিধানসভা ভোটে তিনি আর দাঁড়াচ্ছেন না। যাতে ধোঁয়াশা না থাকে তার জন্য বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে ছেড়ে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ার।

ঘটনা হল, জ্যোতিবাবু সরে যাওয়ার পর সিপিএমের পাশ থেকে সরে গিয়েছিল সাতগাছিয়া। ২০০১ সালের ভোটে জ্যোতিবাবুর সাতগাছিয়ায় বিধায়ক হন তৃণমূলের সোনালি গুহ।

এবার ত্রিপুরার দিকে তাকানো যাক। ১৯৯৮ সাল থেকে ধনপুরের বিধায়ক হলেন ত্রিপুরা সিপিএমের মুখ মানিক সরকার। কেউ তাঁকে হারাতে পারেননি। ২০১৮ পর্যন্ত ধনপুর ছিল ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র। ২০১৮ সালে বাম সরকারের পতন হলেও ধনপুরে জিতেছিলেন মানিকবাবু। কিন্তু এবার নির্বাচনী রাজনীতিতে দাঁড়ি টেনে দিয়েছেন সিপিএমের এই পলিটব্যুরোর সদস্য। ভোটে দাঁড়াননি। এই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকারের মন্ত্রী প্রতিমা ভৌমিককে। বিজেপি আশাবাদী, এবার ধনপুরে পদ্মফুল ফুটবে। ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে গত কয়েক দশকের দুর্ভেদ্য লালদুর্গ।

২০১৮ সালের ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে ধনপুরে বিজেপি প্রার্থী করেছিল এই প্রতিমা ভৌমিককেই। যেদিন গণনা হচ্ছে সেদিন গোড়ার দিকে শোনা গিয়েছিল, মানিকবাবু হারছেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা যায়, সরকার ধরে না রাখতে পারলেও মানিক সরকার নিজের কেন্দ্রে জয় হাসিল করেছিলেন। শেষ পাঁচ বছর ধনপুরের বিধায়ক হিসেবেই ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা ছিলেন মানিক সরকার।

এবার আরও কয়েকটি কারণে ধনপুর তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তা হল, বিজেপি শেষমেশ সরকার ধরে রাখতে পারলে মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে টানাপড়েনের আশঙ্কা রয়েছে। আগরতলার রাজনৈতিক প্রাজ্ঞদের অনেকেই বলতে শুরু করেছেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহার জয় নিয়ে সংশয় রয়েছে। সেক্ষেত্রে টাউন বরদোয়ালি কেন্দ্রে অঘটন ঘটলে প্রতিমা ঢুকে পড়তে পারেন মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে। সব সমীকরণ মিলে গেলে ফের পাঁচ বছর পর ধনপুর হয়ে উঠতে পারে মুখ্যমন্ত্রীর কেন্দ্র।

অনেকের মতে, এসব সাত-পাঁচ ভেবেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বিধানসভায় প্রার্থী করেছে বিজেপি। বিপ্লব দেব যখন মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনও প্রতিমার ওই চেয়ারে বসার আকাঙ্ক্ষার কথা আগরতলার হাওয়ায় ভাসত।

তবে সাতগাছিয়া আর ধনপুরের মধ্যে পার্থক্য একটাই। সোনালি গুহ জ্যোতিবাবুর আসনে জিতেছিলেন বাম জমানায়। তারপরেও এক দশক বাংলায় বামফ্রন্ট সরকার ছিল। সোনালি ছিলেন বিধায়ক। আর প্রতিমা শাসক দলের নেত্রী তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। বলা যেতে পারে, প্রশাসনিক ভাবে সেদিনের সোনালির তুলনায় তাঁর ওজন অনেকটাই বেশি। বাকিটা বোঝা যাবে ২ মার্চ।

ত্রিপুরায় কংগ্রেসিরা সিপিএমকে ভোট দেবে তো? বাংলায় কিন্তু হয়নি


```