দ্য ওয়াল ব্যুরো : বিজেপি নেতা চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে যে ছাত্রী ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন, তাঁকেই বন্দি করেছে পুলিশ। অভিযোগকারিণীর মুক্তির দাবিতে সোমবার উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের মিছিল করার কথা ছিল। কিন্তু প্রশাসন তাঁদের অনুমতি দেয়নি। সেইসঙ্গে প্রবীণ কংগ্রেস নেতা জিতিনপ্রসাদকে গৃহবন্দি করেছে। আরও তিন কংগ্রেস নেতাকে আটক করেছে।
অভিযোগকারিণী ছাত্রীর বাড়ি শাহজাহানপুরে। এদিন শাহজাহানপুর থেকে লখনউ অবধি মিছিল করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই শাহজাহানপুর জেলার সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে পুলিশ।
২৩ বছর বয়সী ওই অভিযোগকারিণীকে গত সপ্তাহে পুলিশ গ্রেফতার করে। অভিযোগ, তিনি চিন্ময়ানন্দকে চাপ দিয়ে টাকা আদায় করতে চেয়েছিলেন। মেয়েটির পরিবার অভিযোগ করে, পুলিশ তাঁকে বাড়ি থেকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়েছে। এমনকি তাঁকে চটিও পরতে দেয়নি। গত চারদিন ওই আইনের ছাত্রী জেলে আছেন।
এর আগে তিনি অভিযোগ করেন, উত্তরপ্রদেশে পুলিশ চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ নিতেই চায়নি। বাধ্য হয়ে তিনি দিল্লিতে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে চিন্ময়ানন্দের বিরুদ্ধে পুলিশ সরাসরি ধর্ষণের মামলা করেনি। অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন। বিপরীতে মেয়েটির বিরুদ্ধে চাপ দিয়ে পাঁচ কোটি টাকা আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, তিনি অভিযোগ স্বীকার করেছেন। ওই আইনের ছাত্রীকে আদালতে পেশ করা হয়েছিল। তাঁকে ১৪ দিন জেলে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিন্ময়ানন্দ গ্রেফতার হওয়ার তিন দিন পরে জানান, তিনি দুর্বল বোধ করছেন। তাঁর প্রস্রাবে সমস্যা হচ্ছে। তাঁকে লখনউয়ের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি এখনও হাসপাতালের আইসিইউতে আছেন। সোমবারই শাহজাহানপুরের এক আদালত তাঁর জামিনের আবেদন শুনবে। একইসঙ্গে অভিযোগকারিণীর জামিনের আবেদনও শোনা হবে।