২০ টাকা করে 'দাদাগিরি ট্যাক্স' দিতে না পারায় সহপাঠীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছিল শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলে। একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই তোলপাড় পরে। প্রশ্ন ওঠে স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে। তবে এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল।

শেষ আপডেট: 12 August 2025 20:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো, শিলিগুড়ি: শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুল থেকে ছেলেকে ছাড়িয়েই নিলেন নিগৃহিত ছাত্রের বাবা। সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অলোক মালো বলেন, অনেক টালবাহানা চলছিল স্কুলে এই টিসি নিয়ে। তবে ছেলেকে নিয়ে এবং এই পরিস্থিতি নিয়ে তাঁরা আতঙ্কিত। কাজেই স্কুল কর্তৃপক্ষের কোনও অনুরোধ রাখতে তাঁরা অপারগ। ছেলেকে অন্য স্কুলে ভর্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা।
২০ টাকা করে 'দাদাগিরি ট্যাক্স' দিতে না পারায় সহপাঠীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠেছিল শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলে। একটি ভিডিও ভাইরাল হতেই তোলপাড় পরে। প্রশ্ন ওঠে স্কুলের নিরাপত্তা নিয়ে। তবে এই ভাইরাল ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি দ্য ওয়াল।
ক্লাস এইটের এক ছাত্রকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ ওঠে তারই এক সহপাঠীর বিরুদ্ধে। ওই পড়ুয়ার অভিযোগ করে, একই ক্লাসের আরেকজন ছাত্র প্রায়ই ২০ টাকা করে দাদাগিরি ট্যাক্স চাইত ওই পড়ুয়ার কাছে ৷ না দিতে পারলেই জুটত মার। একই ঘটনার শিকার ক্লাসের অন্যান্য পড়ুয়ারাও। যাদের কাছে টাকা রয়েছে তারা টাকা দিয়ে রেহাই পেত। কিন্তু তার কাছে টাকা না থাকায় প্রতিদিন মার খেতে হত। স্কুলের যেখানে সিসিটিভি নেই, সেখানে নিয়ে চলত মারধর।
শহরের অন্যতম ঐতিহ্যবাহী স্কুলগুলির তালিকায় প্রথমদিকে স্থান শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলের। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে মান পড়ে যাচ্ছিল ক্রমশ। একের পর এক অভিযোগ উঠছে এই সরকারি স্কুলে। গোটা ঘটনার কথা স্বীকার করে নেন শিলিগুড়ি বয়েজ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক উৎপল দত্ত। অভিভাবকের সঙ্গে কথা বলে যা করার তাই করা হবে বলে আশ্বাসও দিয়েছিলেন তিনি। তবে তাঁর কথায় আশ্বস্ত হতে পারেননি নিগৃহিত ছাত্রের বাবা। ছেলেকে ছাড়িয়েই নিলেন স্কুল থেকে।