তাঁদের বক্তব্য, “যাঁদের দায়িত্ব আমাদের নিরাপত্তা রক্ষা করা, তাঁরাই যদি মারধরে যুক্ত হন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”
.jpeg.webp)
নিজস্ব চিত্র।
শেষ আপডেট: 20 August 2025 18:59
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দাদাগিরির অভিযোগ উঠল সিভিক ভলান্টিয়ার ও ভিলেজ পুলিশের বিরুদ্ধে (Civic and Village Police)। ঘটনাস্থল আরামবাগের (Arambagh) তিরোল এলাকার বিশমাইল। মাঝরাতে কাজে বেরিয়ে মার খেতে হল এক জনজাতি যুবককে। আর এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামলেন স্থানীয় বাসিন্দারা। গর্জে উঠল রাজ্য সড়ক (State highway), যার জেরে অবরোধে বিপর্যস্ত হল যান চলাচল।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে,জনজাতির যুবক তপন মুদি (২২) একটি বেসরকারি মিলের কর্মী। অভিযোগ, রাত প্রায় দুটো নাগাদ কাজের উদ্দেশে বেরোনোর সময় রাস্তার পাশেই তাঁকে আটকে বেধড়ক মারধর করেন এক সিভিক ভলান্টিয়ার ও এক ভিলেজ পুলিশ।
খবর ছড়াতে মুহূর্তে উত্তেজনা ছড়ায় গোটা এলাকায়। বুধবার ভোরেই বর্ধমান-আরামবাগ ৭ নম্বর রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন স্থানীয়রা। রাস্তায় বসে বিক্ষোভে সামিল হন বহু মানুষ। দাবি ওঠে, অভিযুক্তদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।
ফলে অফিস টাইমে চরম ভোগান্তির মুখে পড়েন যাত্রীরা। দীর্ঘ সময় আটকে পড়ে একের পর এক বাস, অ্যাম্বুল্যান্স-সহ জরুরি পরিষেবার গাড়িও। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বিশাল পুলিশ বাহিনী।
ঘণ্টাখানেক পর অবরোধ উঠে গেলেও এলাকা উত্তপ্তই ছিল। পরে জনজাতি সংগঠনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলেন আরামবাগ থানার আধিকারিকেরা। তাঁদের আশ্বাস দেওয়া হয়, অভিযুক্ত দুই নিরাপত্তারক্ষীর বিরুদ্ধে তদন্ত করে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্তদের শাস্তির দাবিতে সোচ্চার এলাকাবাসী। তাঁদের বক্তব্য, “যাঁদের দায়িত্ব আমাদের নিরাপত্তা রক্ষা করা, তাঁরাই যদি মারধরে যুক্ত হন, তবে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়?”
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এলাকাবাসীর দাবি, “শুধু আশ্বাস নয়, কড়া শাস্তি চাই। নইলে ফের রাস্তায় নামব।”