“কোনো না কোনো দিন তো কাজ করতেই হবে। সেই দিন যান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বও আপনাদেরই।”
.jpeg.webp)
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 11 December 2025 18:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের (Chingrighata Metro) জট আরও গভীর হচ্ছে। রাজ্য এবং কেন্দ্র (state and the center) পরস্পরের দিকে আঙুল তুলেই চলেছে। আর এই দোষারোপের রাজনীতিতে ক্ষুব্ধ কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court , )। ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ— “কোভিড যদি আবার ফেরত না আসে তাহলে রাস্তায় গাড়ির চাপ কোনোদিনই কমবে না!”
আইনজীবীদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতির মধ্যেই সব দিক সামলে দ্রুত মেট্রোর থমকে থাকা কাজ শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
চিংড়িঘাটা মেট্রো সম্প্রসারণ বহুদিন ধরেই আটকে। নিউ গড়িয়া–বিমানবন্দর মেট্রো প্রকল্পের বেলেঘাটা থেকে গৌরকিশোর ঘোষ স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশের কাজ এখনও থমকে। কলকাতা মেট্রো রেল কর্পোরেশনের দাবি, রাস্তা বন্ধের অনুমতি না মেলাতেই কাজ শুরু করা যাচ্ছে না। নভেম্বরে কাজ শুরুর কথা থাকলেও তার কিছুই হয়নি।
এই নিয়ে এক স্থানীয় বাসিন্দার জনস্বার্থ মামলার ভিত্তিতেই আদালত একাধিক বৈঠক ডেকেছিল। তখন রাজ্য সরকার এবং পুলিশের তরফে সহযোগিতার আশ্বাস মিলেছিল। কিন্তু বাস্তবে প্রশাসনের অনুমতি মেলেনি বলেই দাবি আবেদনকারীর।
সেই মামলাতেই এদিন হাইকোর্টের পরামর্শ— “জট খোলা মনে আলোচনায় বসুন, তাহলেই সমাধান সূত্র বেরোবে।”
রাজ্যের তরফে আদালতে যুক্তি— সাবওয়ের কাজ না হলে সাধারণ মানুষ সমস্যায় পড়বেন। এ কথা শুনে বিচারপতির কঠোর মন্তব্য, “কোনো না কোনো দিন তো কাজ করতেই হবে। সেই দিন যান নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বও আপনাদেরই।”
সব পক্ষকে দ্রুত আলোচনার টেবিলে বসে সিদ্ধান্তে পৌঁছনোর নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এখন দেখার, চিংড়িঘাটার দীর্ঘস্থায়ী জট কোন পথে কাটে, আর কবে ফের গতি ফিরে পায় নিউ গড়িয়া—বিমানবন্দর মেট্রোপথের আটকে থাকা কাজ।