দ্য ওয়াল ব্যুরো : এক সপ্তাহ আগে অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) এক কিশোরকে অপহরণের অভিযোগ ওঠে চিনের (China) লালফৌজের (PLA) বিরুদ্ধে। বুধবাই কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানালেন, ভারতের সেনাবাহিনীর সঙ্গে চিনের লালফৌজ হটলাইনে কথা বলেছে। চিনারা ইঙ্গিত দিয়েছে, ওই কিশোরকে ফিরিয়ে দেবে। কোথায় ওই সেনাকে ভারতীয় ফৌজের হাতে তুলে দেওয়া হবে, তাও বলেছে চিন।
রিজিজু এদিন টুইট করে বলেন, খুব শীঘ্রই লালফৌজ জানাবে, কবে, কখন ওই কিশোরকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে খারাপ আবহাওয়ার জন্য তাকে ফিরিয়ে দিতে দেরি হচ্ছে। গত মঙ্গলবার আইনমন্ত্রী বলেন, ওই কিশোরকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ওপরে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার। কাউকে এসম্পর্কে অসতর্ক মন্তব্য করতে বারণ করেন মন্ত্রী।
রিজিজুর কথায়, "ওই কিশোর অপহৃত হওয়ার পর থেকেই আমরা পরিস্থিতির ওপরে নজর রাখছি। আমি সকলের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এসম্পর্কে মন্তব্য করার আগে সতর্ক হোন। নিখোঁজ কিশোরকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনার ওপরে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি।"
নিখোঁজ কিশোরের নাম মিরাম তারোন। বয়স ১৭। সে আপার সিয়াং জেলার জিডো গ্রামের বাসিন্দা। গত ১৮ জানুয়ারি সে বিশিং অঞ্চলের শিয়ুং লা থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়।
মঙ্গলবার রিজিজু বলেন, ওই কিশোর যেখান থেকে নিখোঁজ হয়েছে, সেই জায়গাটি লাইন অব অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছাকাছি। ১৯ জানুয়ারি ভারতীয় সেনা লাল ফৌজের কাছে ওই কিশোর সম্পর্কে জানতে চায়। চিনা সৈনিকরা বলে, তারা ওই কিশোরের সন্ধানে তল্লাশি চালাবে। তাকে পাওয়া গেলে নিয়মমাফিক ভারতীয় সেনার হাতে তুলে দেবে। ২০ জানুয়ারি চিনা সৈনিকরা জানায়, তাদের এলাকায় এক কিশোরের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। ভারতীয় সেনা তখন নিখোঁজ কিশোরের ছবি পাঠায়। তার সম্পর্কে অন্যান্য বিবরণও পাঠানো হয়।
নিখোঁজ কিশোরের বাবা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে আবেদন জানান, তাঁর ছেলেকে ফিরিয়ে আনা হোক। তিনি হুমকি দেন, সরকার যদি তাঁর ছেলেকে ফেরাতে না পারে, তিনি নিজে সীমান্ত পেরিয়ে চিনাদের এলাকায় ঢুকবেন।