
শেষ আপডেট: 13 January 2023 07:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শিশুকে যৌন নির্যাতনের মামলায় (sexual abuse case) কোনওভাবেই আক্রান্ত এবং তাঁর পরিবার পরিজনের পরিচয় উল্লেখ করা যাবে না। শিশুদের যৌন নির্যাতনকারীর আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে তৈরি আইন 'পকসো'তে স্পষ্ট করে উল্লেখ আছে এই বিধানের। তারপরও স্বয়ং মামলাকারির আইনজীবী আগাগোড়া নির্যাতিত শিশুর মায়ের (Child mother) নাম মামলার নথিপত্রে উল্লেখ করেছেন।
বম্বে হাইকোর্ট এই কারণে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে। আদালত বলেছে, জরিমানার টাকা আদালতের একটি গ্রন্থাগারের তহবিলে জমা করতে হবে, যেটি আইনজীবীরা নিয়মিত ব্যবহার করেন। আদালত বলেছে, এটা দুর্ভাগ্যের যে আইনজীবীরা এই ধরনের ভুল করছেন।
বম্বে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট ডিভিশন বেঞ্চ গতমাসে পুণের একটি ল ফার্মকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করে একটি মামলায় ধর্ষিতার নাম-পরিচয় নথিতে উল্লেখ করায়।
আইন আদালতের সঙ্গে যুক্ত মহলের বক্তব্য, যৌন নির্যাতনের শিকার, শিশু, নাবালক এবং মহিলাদের নাম পরিচয় গোপন রাখার বিধান ফৌজদারি দণ্ডবিধিতে রয়েছে। বিভিন্ন সময় সুপ্রিম কোর্ট ও হাইকোর্ট এই বিধান স্মরণ করিয়ে দিলেও বিধিভঙ্গের বিরাম নেই। সংবামাধ্যমও এই ভুল করে থাকে।
পকসো অর্থাৎ শিশুদের যৌন নির্যাতনের হাত থেকে রক্ষা করতে তৈরি আইনটির বয়স এখন সবেমাত্র ১০। যদিও ওই আইনে অভিযোগ দায়ের এবং মামলার বিরাম নেই। স্বভাবতই চালু আইনের বিধান সম্পর্কে আইনজীবীর অজ্ঞতা, অসাবধানতাকে গুরুতর অপরাধ হিসাবে দেখেছে বম্বে হাইকোর্ট।
বছর পাঁচ আগে কলকাতার দুটি বেসরকারি স্কুলে দুই শিশুর উপর যৌন নির্যাতনের ঘটনার অভিযোগ সংক্রান্ত খবরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম প্রকাশ করায় কলকাতা পুলিশ শহরের কয়েকটি সংবাদ প্রতিষ্ঠানকে সতর্ক করে। যদিও রাজনৈতিক সভা সমাবেশে শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই দেদার নির্যাতিতার নাম পরিচয় উল্লেখ করে থাকে।
ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ যাত্রীবোঝাই বাসের! সাইবাবা দর্শনে যাওয়ার পথে মৃত ১০