আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল মানবিক সঙ্কট নয়, ভারতীয় নাগরিকত্ব ও সাংবিধানিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। শিশুটি বাংলাদেশে জন্মালে তার নাগরিকত্ব কি হবে—এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সোনালির পরিবারে।
.jpeg.webp)
সোনালির বাড়িতে রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম।
শেষ আপডেট: 15 September 2025 20:45
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বীরভূমের পাইকার গ্রাম যেন নিঃশ্বাস বন্ধ করে দিন গুনছে। কারণ, অন্তঃসত্ত্বা সোনালি খাতুনের (Sonali Khatun) বাংলাদেশে (Bangladesh) ‘পুশব্যাক’ ইস্যু এখন শুধু এক পরিবারের দুর্ভাগ্য নয়—রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়নের কেন্দ্রবিন্দু।
দুই মাস আগে দিল্লি থেকে সোনালি, তাঁর স্বামী ও শিশুপুত্রকে ‘অবৈধ অনুপ্রবেশকারী’ আখ্যা দিয়ে সীমান্তে ফেরত পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অথচ সোনালির পরিবার বীরভূমে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে বসবাস করছে, এমনকি তাঁদের ভোটার, আধার কার্ডও রয়েছে।
ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় রাজ্য সরকারের তরফে মুখ্যমন্ত্রীর (Chief Minister Mamata Banerjee) দূত হয়ে সোনালির বাড়িতে পৌঁছন রাজ্যসভার সাংসদ সামিরুল ইসলাম। পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে তিনি জানান, “এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে লড়াই চলবে। সোনালিকে ফিরিয়ে এনে ‘শ্রমশ্রী’ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।”
বিষয়টি ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছেছে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে হলফনামা তলব করা হয়েছে। শুনানি হবে ২২ সেপ্টেম্বর।
আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এটি কেবল মানবিক সঙ্কট নয়, ভারতীয় নাগরিকত্ব ও সাংবিধানিক অধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। শিশুটি বাংলাদেশে জন্মালে তার নাগরিকত্ব কি হবে—এই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে সোনালির পরিবারে।
বিজেপিশাসিত রাজ্যগুলিতে পরিযায়ী শ্রমিকদের (Migrant Workers) উপর ক্রমাগত নির্যাতনের অভিযোগ তুলে তৃণমূল কড়া ভাষায় বিজেপিকে কাঠগড়ায় তুলেছে। এখন গোটা রাজ্য তাকিয়ে ২২ সেপ্টেম্বরের দিকেই, সেই দিন আদৌ মায়ের কোলে ফিরবেন কি সোনালি?