
শেষ আপডেট: 20 April 2020 12:51
তামিলনাড়ু গভর্নমেন্ট ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক এন রবিশংকর এই ঘটনার নিন্দা করে বলেন, তাঁদের রাজ্যে তৃতীয়বার এই ধরনের ঘটনা ঘটল। খুবই লজ্জাজনক ব্যাপার। এক ব্যক্তিকে সম্মানের সঙ্গে সমাহিত করার অধিকার কেড়ে নিতে চাইছে উন্মত্ত জনতা। আন্না নগর পুলিশ জানিয়েছে, হাসপাতাল কর্মীদের ওপরে আক্রমণ ও অ্যাম্বুলেন্সে ভাঙচুরের জন্য ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এর আগে রবিবার বেঙ্গালুরুতে উত্তেজিত জনতা তাড়া করে স্বাস্থ্যকর্মীদের। শহরের একটি অঞ্চলের ৫৮ জন বাসিন্দা তিনজন করোনা আক্রান্তের সংস্পর্শে এসেছিলেন। তাঁদের কোয়ারান্টাইন সেন্টারে নিয়ে যাওয়ার জন্য সেখানে গিয়েছিলেন স্বাস্থ্যকর্মীরা। তাঁরা ৩৩ জনকে কোয়ারান্টাইন সেন্টারে যেতে রাজি করান। এরপরেই প্রায় ২০০ লোক তাঁদের তাড়া করে। তাঁরা সেই ৩৩ জনকে ফেলে পালিয়ে আসেন।
ওই ঘটনার পরে ৫৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মারপিট ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ করেছে পুলিশ।
সরকারি সূত্রে খবর, ওয়েস্ট বেঙ্গালুরুর পাদারায়নপুরা অঞ্চলের তিন বাসিন্দা দিল্লিতে তবলিগি জামাতের সভায় গিয়েছিলেন। তাঁদের পরীক্ষা করে করোনাভাইরাস পজিটিভ পাওয়া যায়। এরপর ওই এলাকা সিল করে দেয় পুলিশ। রবিবার সন্ধ্যা সাতটায় স্বাস্থ্যকর্মীদের টিম পৌঁছায় ওই এলাকায়। তখন স্থানীয় মানুষজন এলাকা সিল করে দেওয়ার জন্য যে টিনের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছিল, তা সরিয়ে দিচ্ছিলেন। স্বাস্থ্যকর্মীদের দেখে তাঁরা দাবি করেন, সেখানেই করোনা টেস্টের ব্যবস্থা করতে হবে। তার পরেই অশান্তি শুরু হয়।
মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা টুইট করে বলেছেন, “কোভিডের বিরুদ্ধে যাঁরা যুদ্ধ করছেন, তাঁদের কেউ আক্রমণ করলে আমরা সহ্য করব না। পুলিশ কমিশনারকে বলা হয়েছে, আশা কর্মী ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীও ওই ঘটনার নিন্দা করে টুইট করেছেন।