
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 27 November 2024 20:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মিড ডে মিলের জন্য বরাদ্দ বাড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কিন্তু তাতে খুশি নয় শিক্ষামহল। কারণ বরাদ্দ বৃদ্ধির পরিমাণ এতই কম যে তাতে পুষ্টিকর খাদ্য পাওয়া আদৌ সম্ভব নয় বলেই দাবি। এই বিষয়টিরই সমালোচনা হচ্ছে।
প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক দুই খাতে মাথাপিছু ৭০ এবং ৭৫ পয়সা করে বাড়ানো হচ্ছে মিড ডে মিলের বরাদ্দ! বর্তমানে বাজারের যা অবস্থা তাতে এইটুকু বরাদ্দ বৃদ্ধিতে কীভাবে চলবে তা নিয়েই প্রশ্ন। শেষবার ২০২২ সালে প্রাথমিকে মাথাপিছু বরাদ্দ বেড়ে হয়েছিল ৫.৪৫ টাকা এবং উচ্চ প্রাথমিকে হয়েছিল ৮.১৭ টাকা। এখন দু'বছর পর সেই বরাদ্দই যথাক্রমে ৭০ এবং ৭৫ পয়সা বাড়ল।
অ্যাডভান্সড সোসাইটি ফর হেডমাস্টার্স অ্যান্ড হেডমিস্ট্রেসেস (এএসএফএইচএম)-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক চন্দন মাইতি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে মিড ডে মিলের বরাদ্দ বাড়েনি। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি আকাশ ছোঁয়া হয়েছে। সে তুলনায় এই বরাদ্দ বৃদ্ধি অতি নগণ্য। এই টাকা দিয়ে কীভাবে পুষ্টিকর খাদ্য যোগান দেওয়া যায়, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
তাঁর এও বক্তব্য, অল ইন্ডিয়া প্রাইস ইনডেক্স (এআইপিআই) অনুযায়ী প্রতিবছর মিড ডে মিলের বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে। অন্যথায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে মিড ডে মিল পরিচালনা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হবে না। কিন্তু যে পরিমাণ বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে তাতে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পুষ্টিকর খাবার দেওয়া প্রায় দুরহ ব্যাপার। বাজারে ডিম, ডাল সহ বিভিন্ন সামগ্রীর দাম যেভাবে বাড়ছে তাতে এই বরাদ্দ বৃদ্ধি সুবিধা দেবে না।
শিক্ষামহলের অধিকাংশই এটা মনে করে যে, বরাদ্দ বৃদ্ধি হলেও তার পরিমাণ হতাশাজনক। গরিব এবং মধ্যবিত্ত ছাত্র-ছাত্রীদের সম্পর্কে কেন্দ্রীয় সরকার উদাসীন বলেও মন্তব্য করেছেন অনেকে।