
শেষ আপডেট: 27 April 2023 11:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সমলিঙ্গের বিয়ের (same sex marriage) স্বীকৃতি সংক্রান্ত মামলায় বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকার (Central government) গুরুতর প্রশ্ন তুলল (raised questions) পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চের কাছে। গত সপ্তাহে এই মামলায় সাংবিধানিক বেঞ্চের তরফে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় মত প্রকাশ করেছিলেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বিয়ের সংজ্ঞা পরিবর্তন জরুরি। তাঁর বক্তব্য ছিল, বিবাহিত জীবন মানে শুধু যৌনতা নয়। দাম্পত্য সম্পর্কের মধ্যে অনেক আবেগ জড়িয়ে থাকে। এরপরই তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, বিয়ে কি সর্বদা নারী আর পুরুষের মধ্যেই হতে হবে। দু’জন পুরুষ, কিংবা দু’জন নারী কেন বিবাহিত জীবন কাটাতে পারবেন না।
বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে সলিলিটর জেনারেল তুষার মেহতা আদালতে বলেন, সমলিঙ্গের বিয়ে মেনে নিলেও প্রশ্ন উঠবে, কে স্বামী কে স্ত্রী। কারণ, স্বামী, স্ত্রী পরিচয়ের বিষয়টি শুধু বিবাহিত জীবন এবং স্পেশ্যাল ম্যারেজ অ্যাক্টের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এরসঙ্গে যুক্ত সম্পত্তি, সন্তান বা নিকট জনের অভিভাবকত্বের প্রশ্ন। অথচ, সমলিঙ্গের দম্পতিদের অনেকেই নারী বা পুরুষ পরিচয়ে পরিচিত হতে চান না। তারা নিজেদের তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ মনে করেন।
সরকারি আইনজীবী আরও বলেন, ধরা যাক, সমলিঙ্গের বিয়েকে মেনে নেওয়া হল। তখন এই দম্পতিরা সন্তান দত্তক নিতে পারবেন। সেই দম্পতির একজন মারা গেলে সন্তানের অভিভাবক হিসাবে অপরজন নিজের কোন পরিচয় উল্লেখ করবেন। অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত আইনে এই পরিচয় জরুরি।
বৃহস্পতিবার এই ধরনের একাধিক সমস্যার কথা তুলে ধরে সলিসিটর জেনারেল শীর্ষ আদালতকে ফের বোঝানোর চেষ্টা করেন, বিষয়টি জটিল। এটি সংসদের উপরই ছেড়ে দেওয়া ঠিক হবে।
শীর্ষ আদালতকে তিনি আরও বলেন, সমলিঙ্গের বিয়ের স্বীকৃতিতেই বিষয়টি মিটে যাবে না। ব্যক্তিগত অধিকারের পরিসর যেভাবে বিস্তৃত হচ্ছে তাতে ব্যাভিচারী আচরণকেও স্বাভাবিক দাবি করে স্বীকৃতির দাবি উঠবে। তুষার মেহেতার প্রশ্ন, সমলিঙ্গের দম্পতির বিবাহ বিচ্ছেদ কীভাবে হবে। ডিভোর্সের ক্ষেত্রে খোরপোষের বিষয়টি জড়িত। সেখানে কাকে স্বামী বলে ধরা হবে, সেই প্রশ্নটি মুখ্য।
কালিয়াগঞ্জ নিয়ে পুলিশের রিপোর্ট চাইল আদালত, তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ রাজ্যের