
শেষ আপডেট: 1 November 2022 05:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত সংখ্যালঘুদের (minorities) নাগরিকত্বের (citizenship) সার্টিফিকেট ইস্যু করার জন্য গুজরাতের (Guajrat) দুটি জেলাকে অনুমতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের এই সিদ্ধান্তে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।
সরকারি নির্দেশনামায় সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিধানগুলি অনুসরণ করতে বলা হয়েছে। অথচ গোটা দেশে ওই আইন চালু না করার বিষয়ে কেন্দ্রের তরফে বারে বারে বলা হচ্ছে, রুল তৈরি না হওয়ায় সেটি কার্যকর করা যাচ্ছে না।
এ রাজ্যে মতুয়াদের (Matua) নাগরিকত্ব না পাওয়ার বিষয়ে ওই সম্প্রদায়ের নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর দু'দিন আগে বলেছেন, মামলার কারণে বিষয়টি নিয়ে এগোনো যাচ্ছে না।
গতকালই সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে হওয়া মামলাগুলির শুনানি ৬ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে। যদিও কেন্দ্রীয় সরকার মামলাগুলি খারিজ করার আর্জি জানিয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতের কাছে।
এই পরিস্থিতিতে গুজরাতের মেহসেনা এবং আনন্দের জেলা শাসকদের কীভাবে প্রতিবেশী তিন দেশের সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দিতে অনুমতি দেওয়া হল, তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট সব মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে।
বলা হয়েছে, ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের বিধানে ওই তিন দেশ থেকে আসা হিন্দু, বৌদ্ধ, শিখ, খ্রিস্টান এবং জৈনদের নাগরিকত্বের সার্টিফিকেট ইস্যু করতে হবে।
এই সূত্রেই জানা যাচ্ছে, গত অগস্টে গুজরাতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হর্ষ সঙ্গভি পাকিস্তান থেকে আসা ৪০ জন হিন্দুকে ভারতের নাগরিকত্ব দিয়েছেন। এছাড়া ২০১৭ থেকে এ পর্যন্ত গুজরাতে ১ হাজার ৩২ জনকে ভারতের নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে যারা পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান থেকে চলে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান ও জৈন ধর্মাবলম্বী।
দেশযাত্রায় বেরনোর ইচ্ছা ছিল রাজনীতিতে আসার আগেই, রাহুল জানালেন ‘ভারত জোড়ো’র ভাবনা