
শেষ আপডেট: 11 November 2022 08:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লির আম আদমি পার্টির সরকারের মদ বিক্রির নীতি ঘিরে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে তেলেঙ্গানা এবং পশ্চিমবঙ্গের দিকেও নজর দিয়েছে সিবিআই (CBI Investigates Liquor Policy)। দিল্লির মদ বিক্রি নীতি (Liqour Selling Policy) ঘিরে তদন্তে ধৃতদের কয়েকজনের সঙ্গে বাংলার আবগারি দফতরের একাংশের যোগাযোগের সূত্র পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাটি।
এর আগে পাঞ্জাবের (Punjab) আবগারি দফতরের অফিসারদেরও যোগাযোগের সূত্র পাওয়া গিয়েছিল। এই যোগাযোগ কোনওভাবে রাজ্যের মদ বিক্রি নীতি রচনায় ভূমিকা নিয়েছিল কিনা সেটাই খতিয়ে দেখছে সিবিআই।
বছরের গোড়ায় পাঞ্জাবে ক্ষমতায় এসেই আম আদমি পার্টির সরকার দিল্লির মদ বিক্রি নীতি কার্যকর করে। ওই নীতিতে মদ ব্যবসায়ীদের আর্থিক সুবিধা করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠায় দিল্লির ক্ষেত্রে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন উপ রাজ্যপাল।
আর এক তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দাবি করেছে, তদন্তে তারা জানতে পেরেছে, নয়া মদ নীতির বাণিজ্যিক বৈশিষ্ট্যগুলি আগাম কিছু ব্যবসায়ী সংস্থা জেনে গিয়েছিল। শুধু তাই নয়, নীতি প্রকাশের আগেই কম করে একশো কোটি টাকা ঘুষ বাবদ লেনদেন হয়েছে।
ইডি আরও জানিয়েছে, মদনীতি নিয়ে হইচই এবং তদন্ত শুরুর পর দেখা যায়, ব্যবসায়ী, খুচরো মদ বিক্রেতা এবং আমলা, নেতা মিলিয়ে প্রায় তিন ডজন ব্যক্তি ডিজিটাল প্রমাণ লোপাটে ১৪০টি মোবাইল সেট বদল করে। যেগুলির মোট দাম আনুমানিক এক কোটি ২০ লাখ টাকা। অর্থাৎ বিশ্বের অত্যন্ত দামি মোবাইল ব্যবহার করে থাকেন এই ব্যবসায়ী, আমলা ও নেতারা।
সূত্রের খবর, ইডির মতো সিবিআই-ও ফরাসি মদ কোম্পানি পেরনোড রিকার্ডের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে। ওই সংস্থার দিল্লির আঞ্চলিক প্রধান বিনয় বাবু এবং অরবিন্দ ফার্মা লিমিটেডের ডিরেক্টর পি শরৎচন্দ্র রেড্ডিকে গ্রেফতার করেছে ইডি। ইডির বক্তব্য, বিনয় বাবু ছিলেন বেআইনি কারবারের একেবারে সামনের সারির খেলোয়াড়।
প্রায় চার হাজার শূন্যপদে নিয়োগ চাই দ্রুত, বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশ বহাল ডিভিশন বেঞ্চে