
শেষ আপডেট: 29 April 2023 16:24
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতির তদন্ত নিয়ে ফের আবার বিচারকের (judge) প্রশ্নের মুখে পড়ল তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI faces question)। তদন্তের অগ্রগতি কোথায়? সিবিআইকে সরাসরি প্রশ্ন করেন আলিপুরের বিশেষ সিবিআই আদালতের বিচারক। শুধু তাই নয়, সিবিআইকে তদন্তের জন্য ২১ দিন সময়ও বেঁধে দিলেন তিনি। এদিন এজলাসে সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারক বলেন, '২১ দিন সময় আছে, কিছু করে দেখান।'
সিবিআই তদন্ত নিয়ে এর আগেও একাধিকবার নিম্ন আদালতের বিচারকদের মুখে হতাশার কথা শোনা গেছে। এমনকী হাইকোর্টেও ভর্ৎসনার মুখে পড়তে হয়েছে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। শনিবার নিয়োগ দুর্নীতি মামলার শুনানি ছিল আলিপুর আদালতে। সেখানেই বিচারক তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
দুর্নীতি কাণ্ডে (corruption case) ধৃত নীলাদ্রি ঘোষ, তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষের মামলার শুনানি ছিল। সেখানে বিচারক সিবিআইয়ের আইনজীবীর দিকে একের পর এক প্রশ্নবাণ ছোড়েন। তিনি প্রশ্ন করেন, 'নীলাদ্রি ঘোষ, তাপস মণ্ডল ও কুন্তল ঘোষকে গ্রেফতার করেই কাজ শেষ হয়ে গেল? কোথায় ডেভেলপমেন্ট?'
সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, এই তিনজনই অন্য মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন। যা শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিচারক। তিনি বলেন, '২১ দিন সময়ের মধ্যে কিছু করে দেখান।' উল্লেখ্য, নিয়মানুযায়ী গ্রেফতারের ৯০ দিনের মাথায় চার্জশিট জমা করতে হয়। তাপস-নীলাদ্রি-কুন্তলের ক্ষেত্রে সেই ৯০ দিন শেষ হতে বাকি আর মাত্র ২১ দিন।
এদিকে তাপসের আইনজীবী এদিন আদালতে জানান, অযোগ্য প্রার্থীদের চাকরি দেওয়ার ব্যাপার একমাত্র কোনও সরকারি কর্মীর পক্ষেই সম্ভব। সেই সরকারি কর্মী কে, প্রকাশ্যে আনার আর্জি জানান তাপসের আইনজীবী। পাল্টা সিবিআইয়ের আইনজীবী জানান, আমরা এই ব্যাপারে এগোচ্ছি। সাক্ষ্য প্রমাণও সংগ্রহ হয়েছে। যা শুনে বিচারক সিবিআইয়ের আইনজীবীর উদ্দেশে বলেন, 'গোটা বৃত্ত সম্পন্ন করতে যা করার প্রয়োজন করুন।'
আইনজীবী মহলের মতে, নিয়োগ দুর্নীতি সামনে আসার পর বেশ অনেকদিন কেটে গেছে। বেশ কয়েকজন এই দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতারও করা হয়েছে। কিন্তু দুর্নীতির শিকড়ে এখনও পৌঁছতে পারেনি কেন্দ্রীয় এজেন্সি। আর তাতেই বারবার ধৈর্য হারাচ্ছেন বিচারক।
মজিদ মাস্টারের শাসনে ১২ বছর পর পার্টি অফিসের তালা খুলল সিপিএম, যোগ দিল চারশ তৃণমূল কর্মী