
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 7 September 2024 07:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২৮ অগস্টের পর ৬ সেপ্টেম্বর। ফের নির্যাতিতার বাড়িতে গেলেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা।
বুধবার রাতে আরজি করের আন্দোলনকারীদের মঞ্চে হাজির হয়েছিলেন নির্যাতিতা চিকিৎসকের বাবা-মা। সেখানে পুলিশের বিরুদ্ধে টাকা দিয়ে মুখ বন্ধ করার গুরুতর অভিযোগ এনেছিলেন তাঁরা। সেই সূত্রে ঘটনার তদন্তের দাবি উঠেছিল। সূত্রের দাবি, এ ব্যাপারেই নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে শুক্রবার প্রায় আড়াই ঘণ্টা কথা বলেছেন তদন্তকারীরা।
তবে কী কথা হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তদন্তের স্বার্থে এবিষয়ে মুখ খুলতে চাননি নির্যাতিতার মা, বাবাও।
বুধবার আরজি করে দাঁড়িয়ে নির্যাতিতার বাবার স্পষ্ট কথা ছিল, মেয়ের দেহ যখন দাহ করা হয়নি তখন বাড়িতেই ডিসি নর্থ অভিষেক গুপ্তা তাঁকে টাকা দেওয়ার চেষ্টা করেন! কিন্তু তিনি সেই টাকা নেননি।
যদিও এই টাকা রাজ্য সরকারের তরফে ক্ষতিপূরণের টাকা কিনা তা স্পষ্ট করে বলেননি নির্যাতিতার বাবা-মা। তাঁরা আরও অভিযোগ করেন, ''মেয়ের মুখ দেখতে আমাদের সাড়ে তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছিল। আমরা দেহ রেখে দিতে চেয়েছিলাম। কিন্তু ৩০০-৪০০ পুলিশ ঘিরে রেখেছিল। ফলে দেহ দাহ করতে বাধ্য হই। শ্মশানে দাহর টাকাও নেওয়া হয়নি।'
এবিষয়ে যথাযথ তদন্তর দাবি জানিয়েছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। কুণালের কথায়, 'টাকা কিংবা টাকা নয়, দুরকম ভিডিওই প্রকাশ্যে। কৌতূহল, টাকার অভিযোগটা সিবিআইকে দেওয়া বয়ানে ছিল কি না। না থাকলে, কেন এত বড় অংশটা সিবিআইকে বলা হয়নি? আর যদি বলা হয়ে থাকে, তাহলে সিবিআই এতদিনে সংশ্লিষ্ট অফিসারকে জিজ্ঞাসা করল না কেন?'
আরও একধাপ এগিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল সহ তিন পদস্থ পুলিশ কর্তাকে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
শুভেন্দু বলেন, "নির্যাতিতার বাবা-মাকে ডিসি নর্থ টাকা দিতে গিয়েছিলেন, পুলিশ দেহ সৎকারের টাকা দিয়েছে, জোর করে বড়ি নিয়ে যাওয়া হয়েছে, এটা আমার কথা নয়। গত ২ দিন আগে আরজি করের সামনে দাঁড়িয়ে একথা বলেছিলেন নির্যাতিতার বাবা-মা। তাই অবিলম্বে ওই তিন পুলিশ অফিসারকে হেফাজতে নিয়ে জেরা করা জরুরি।"
এমন পরিস্থিতিতে নির্যাতিতার বাড়িতে ফের তদন্তকারীদের উপস্থিতি ঘিরে নতুন করে কৌতূহল তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে।