
শেষ আপডেট: 17 April 2024 19:34
সুভাষ চন্দ্র দাশ,ক্যানিং
কে লক্ষ্মী, কে নারায়ণ, ১০৪ বছরের প্রাচীন সেগুন কাঠের দুটি অবয়বে সাদা চোখে তা আলাদা করা বেশ কষ্টকর। তবে ক্যানিংয়ের সর্দার পরিবারের শতাব্দী প্রাচীন বাসন্তী পুজোয় এই লক্ষ্মী-নারায়ণই মূল আকর্ষণ।
এবারও শাস্ত্রীয় মতে নিয়মনিষ্ঠার সাথে বাসন্তী পুজো অনুষ্ঠিত হচ্ছে ক্যানিংয়ের ট্যাংরাখালির সর্দার পরিবারে। অগাধ ধন সম্পদের আরও শ্রীবৃদ্ধি কামনায় পরিবারের কর্তা মহেশচন্দ্র সর্দার শুরু করেছিলেন বাসন্তী পুজো। সেগুন কাঠের দুটি অবয়বকে লক্ষ্মী-নারায়ণরূপে পুজো করেছিলেন তিনি। সেই প্রথা চলে আসছে এখনও। দেবীর বড় মূর্তি পূজিতা হলেও এখনও পারিবারিক প্রথা মেনে লক্ষ্মী ও নারায়ণরূপী দুটি কাঠের অবয়বে পুজো দিয়েই উৎসবের সূচনা হয়।
পঞ্চমীর সন্ধ্যায় যে প্রদীপ জ্বালানো হয় তা প্রজ্জ্বলিত থাকে দশমী পর্যন্ত। মহাসপ্তমীতে শুরু হওয়া হোমযজ্ঞ শেষ হয় মহানবমীতে। আরও এক বিশেষ ঐতিহ্য রয়েছে সর্দার পরিবারের বাসন্তী পুজোর। বাগানের বেল গাছের ফল দিয়ে হয় নবপত্রিকা পুজো। অষ্টমীতে দেবীর পায়ে দেওয়া হয় ১০৮ টি পদ্ম। তারপরেই হয় সন্ধি পুজো। ১০৪ বছর ধরেই পরিবারের সদস্যরা মেনে আসছেন এই রীতি।
সর্দার বাড়ির এই সন্ধি পুজো দেখতে বহু দূরদুরান্ত থেকে মানুষজন ভিড় জমান এখানে। সর্দার পরিবারের সদস্য বসন্ত সর্দার জানিয়েছেন, "পূর্বপুরুষদের শুরু করা পুজো আজও নিয়ম নিষ্ঠার সাথে হয়ে আসছে। এখনও দশমীর নির্দিষ্ট দিনক্ষণে প্রতিমা নিরঞ্জন হওয়ার পর পুরোহিত নির্দেশ দিলে তবেই উনুনে হাঁড়ি চড়ে।