২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হলফনামা পেশ করতে হবে। এরপর ২৫ অক্টোবরের মধ্যে অন্যান্য পক্ষ পাল্টা জবাব দাখিল করতে পারবে। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ৯ ডিসেম্বর।

কলকাতা হাইকোর্ট
শেষ আপডেট: 9 September 2025 19:44
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের (Burdwan University) প্রাক্তন রেজিস্ট্রার (Registrar) সুজিত চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্রায় ২ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির (Corruption) অভিযোগে তদন্ত চলছে বহুদিন ধরে। তবুও তাঁকেই ফের দায়িত্বে বসানোর সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের, যা নিয়ে প্রশ্ন তুলল কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)।
মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ মন্তব্য করেন, “এই সিদ্ধান্তে আমরা অত্যন্ত বিস্মিত।” আদালতের নির্দেশ, কেন ও কীভাবে দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত একজনকে পুনরায় নিয়োগ করা হল, তার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়কে।
২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হলফনামা পেশ করতে হবে। এরপর ২৫ অক্টোবরের মধ্যে অন্যান্য পক্ষ পাল্টা জবাব দাখিল করতে পারবে। মামলার পরবর্তী শুনানি নির্ধারিত হয়েছে ৯ ডিসেম্বর।
উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রাথমিক তদন্তের পর আদালতের নির্দেশে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থিক অনিয়মের তদন্তভার সিআইডি থেকে কলকাতা পুলিশের হাতে যায় নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্ত নিশ্চিত করতে। কিন্তু এতদিনে কেবল এক জন গ্রুপ-ডি কর্মী, ভক্ত মণ্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের এই ধীরগতির তদন্ত নিয়েও প্রশ্ন তোলে কলকাতা হাইকোর্ট।
বিচারপতির স্পষ্ট পর্যবেক্ষণ, “তদন্তাধীন দুর্নীতির অভিযোগের মুখোমুখি কোনও ব্যক্তিকে ফের দায়িত্ব দেওয়া আইনসম্মত নয়। অন্যদিকে তদন্তেও এমন শিথিলতা গ্রহণযোগ্য নয়।”
এই ঘটনার পর শিক্ষা মহল থেকে প্রশাসনিক মহল - সর্বত্রই বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।