দ্য ওয়াল ব্যুরো: ঝড়ের গতিতে ছুটছে বাস। ভিতরে রয়েছেন জনা তিরিশেক যাত্রী। কিন্তু আচমকাই বিপত্তি। হৃদরোগে আক্রান্ত হলেন বাসের চালক।
ঘটনাটি ঘটেছে তামিলনাড়ুর গুরু থিয়েটার এলাকায়। সকাল সকাল বাসটি আরাপ্পালায়ম ডিপো থেকে রওনা দিয়েছিল কোদাইকানালের দিকে। মোটামোটি যাত্রীবোঝাই যেই বাসের চালকের আসনে ছিলেন এম আরুমুগম। বয়স ৪৪ বছর। বাস চালাতে চালাতেই হৃদরোগে আক্রান্ত হন তিনি। কিন্তু মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও বুদ্ধি করে বাঁচিয়ে দিয়েছেন বাকি যাত্রীদের। কোনও দুর্ঘটনা হতে দেননি তিনি।
জানা গেছে, এদিন সকাল সকাল বাস চালানো শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুকে ব্যথা টের পান আরুমুগম। বোঝেন বড় কোনও বিপদ আসছে। সঙ্গে সঙ্গে বুদ্ধি খেলান, রাস্তার ধারে বাসটি দাঁড় করিয়ে দেন এক ঝটকায়। তারপরেই এলিয়ে পড়েন স্টিয়ারিংয়ের উপর।
বাসটি দাঁড় করাতে পেরেছিলেন বলেই এ যাত্রায় প্রাণ বাঁচল ৩০ জন যাত্রীর। তা না হলে বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়তে পারতেন সকলেই। তবে চালককে আর বাঁচানো যায়নি। বাসের কন্ডাকট্র এসে তাঁর জন্য অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করেন, নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। কিন্তু ততক্ষণে অনেকটা দেরি হয়ে গেছে। বাসের স্টিয়ারিয়ের উপরেই প্রাণ বায়ু বেরিয়ে গেছে আরুমুগমের।
তামিলনাড়ুর সরকারি পরিবহণ সংস্থার বাস চালাতেন আরুমুগম। এর আগে একাধিকবার শোনা গেছে, বাস চালাতে চালাতে চালকের হৃদরোগ হওয়ায় পথ দুর্ঘটনার কবলে পড়েছেন যাত্রীরা। অনেকে মারাও গিয়েছেন। তবে এদিন চালকের তৎপরতাতেই এত মানুষ বেঁচে গেলেন বড় বিপদের হাত থেকে। নিজের প্রাণ দিয়েও আরুমুগম যাত্রীদের বাঁচিয়ে দিয়ে গেলেন।