
শেষ আপডেট: 27 March 2023 02:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার রাত থেকেই নিখোঁজ ছিল দশ বছরের ছেলে। বাবা পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করার পর তদন্তকারীরা শিশুটিকে খুঁজতে বের হন। সেদিন রাতেই তার সন্ধান মেলে, তবে জীবিত অবস্থায় নয়। গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে একটি ফাঁকা মাঠে শিশুটির গলাকাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে জানা যায়, তান্ত্রিকের পরামর্শে শিশুটিকে নরবলি (Human Sacrifice) দিয়েছে তারই তুতো দাদা!
হাড়হিম করা ঘটনাটি ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh)পারসা গ্রামে। পুলিশ সুপার প্রশান্ত ভার্মা জানিয়েছেন, মৃত শিশুটির নাম বিবেক ভার্মা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর থেকেই আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না তাকে। সেই মর্মে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেন বিবেকের বাবা কৃষ্ণ ভার্মা।
অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই বিবেককে খুঁজতে বের হয় পুলিশ। সেদিন রাতেই গ্রাম থেকে কিছুটা দূরে একটি মাঠে বিবেকের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। ধারালো কোনও অস্ত্রের সাহায্যে তার গলা কেটে দেওয়া হয়েছিল।
ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, বিবেকের তুতো দাদা অনুপের একটি আড়াই বছরের শিশুপুত্র রয়েছে। শিশুটি মানসিকভাবে অসুস্থ এবং শারীরিকভাবেও সুস্থ নয়। ছেলেকে সারিয়ে তুলতে এক তান্ত্রিকের দ্বারস্থ হয়েছিল অনুপ। সেই তান্ত্রিকই তাকে পরামর্শ দিয়েছিল, রক্তের বদলেই সুস্থ হবে তার ছেলে। তার জন্য নরবলি দিতে হবে।
ছেলেকে সুস্থ করে তুলতে মরিয়া অনুপ নিজেই তুতো ভাই ১০ বছর বয়সি বিবেককে তুলে নিয়ে যায়। তাকে সঙ্গ দেয় তার বাবা চিরন্তন। দুজনে মিলে একটি কোদালের সাহায্যে গলা কেটে খুন করে বিবেককে। তারপর মৃতদেহ ফেলে দেয় মাঠে।
ঘটনা ইতিমধ্যেই অনুপ, চিরন্তন এবং ওই তান্ত্রিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
ধর্ষক-সাংসদ-বিধায়ক পাশাপাশি, বিলকিসকে গণধর্ষণে জেল খাটা শৈলেশ সরকারি মঞ্চে