
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 21 November 2024 11:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডাউন কাটিহার এক্সপ্রেসের কামরা থেকে উদ্ধার রক্তাক্ত দেহ। ট্রেনের বাঙ্কার থেকে চাদর চাপা দেওয়া অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয়। জানা যাচ্ছে দেহটি তবলা বাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। ৫১ বছর বয়সী ওই যাত্রীকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে অনুমান জিআরপি ও আরপিএফের। ইতিমধ্যেই হাওড়া জিআরপি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার সকাল সোয়া ৭টা নাগাদ, যখন ডাউন কাটিহার স্টেশন হাওড়া স্টেশনে ঢোকে তখন ওই ট্রেনের ঠিক পেছনের কামরায় প্রতিবন্ধীদের জন্য যে সংরক্ষিত কোচ থাকে, সেই কোচের বাঙ্কার থেকে চাদর চাপা দেওয়া অবস্থায় দেহ উদ্ধার হয়। জানা যাচ্ছে ওই দেহের শরীরে ধারালো অস্ত্রের কোপ ছিল এবং রক্তে ভেসে যাচ্ছিল। আরপিএফ যখন ট্রেন তল্লাশি করে তখন এই দেহ দেখতে পাওয়া যায়। সঙ্গে সঙ্গে তা রেল পুলিশকে জানানো হয়।
প্রাথমিক ভাবে রেল পুলিশ মনে করছে ট্রেনের মধ্যেই ওই ব্যক্তি খুন হয়েছেন। মৃত তবলা বাদক বালির নিশ্চিন্দা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায়ই তিনি কাটিহার জেতেন তবলা শেখানোর জন্য। ১৮ নভেম্বর প্রথম তিনি কাটিহার যান এবং সোমবার রাত সাড়ে ১০টা নাগাদ কাটিহার থেকে ট্রেন ধরেন। মঙ্গলবার তাঁর বাড়ি ফিরে আসার কথা। কিন্তু বাড়ি ফিরছেন না দেখে পরিবারের তরফ থেকে একাধিক জায়গায় খোঁজ নেওয়া হয়। শেষে হাওড়া জিআরপি-তে এসে জানতে পারেন তাদের পরিবারের লোক খুন হয়েছেন।
ঘটনার পরই পরিবারের তরফে পুলিশে অভিযোগ জানানো হলে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই সিআইডি গোয়েন্দারা ঘটনাস্থল দেখে গেছে। ফরেন্সিক আধিকারিকরাও পরীক্ষা চালাচ্ছে। পরিবারের দাবি তবলা বাদকের সঙ্গে থাকা ফোন, টাকা, নথি খোয়া গেছে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে ঘটনার তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে হাওড়া জিআরপি।