সোমবার নির্বাচন কমিশন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক ডাকতেই বরাভয় দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
.jpeg.webp)
শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 26 October 2025 18:58
দ্য ওয়াল ব্যুরো: "আগামিকাল থেকেই এসআইআর ঘোষণা হতে পারে। বিএলও-রা (BLO) ভয় পাবেন না। ইলেকশন কমিশন (Election Commission) কোনও পার্টির অফিস নয়। আপনারা প্রস্তুত তো?" সোমবার নির্বাচন কমিশন দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক ডাকতেই বরাভয় দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
সোমবার ৪টে ১৫ নাগাদ দিল্লির বিজ্ঞান ভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকেছে নির্বাচন কমিশন। সূত্রের খবর, নভেম্বরের শুরুতেই বিশেষ নিবিড় সংশোধন হবে বাংলায়। সব ঠিক থাকলে ১ থেকে ৩ তারিখের মধ্যে যে কোনও দিন থেকে শুরু হয়ে যাবে এসআইআর-এর কাজ।
কমিশন বৈঠক ডাকতেই রোববার শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুর থেকেই এসআইআর-এর কাজ শুরু হবে। এই জায়গা ভারতীয় জনতা পার্টির জায়গা। তা ধরে রাখার কাজ করবে বিজেপি।
বস্তুত, দ্রুত ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেশের সবক’টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিককে (সিইও) নিয়ে দিল্লিতে বুধ ও বৃহস্পতিবার বৈঠকে বসেছিল কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার এবং দুই নির্বাচন কমিশনার, এসএস সান্ধু ও বিবেক যোশীর উপস্থিতিতে বৈঠক চলে।
এসআইআর শুরুর আগে এই দ্বিতীয় প্রস্তুতি বৈঠকই ছিল শেষ বৈঠক। বিহারে এসআইআর-পর্ব শেষে বিধানসভা নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। এর পরে আগামী বছরের এপ্রিল-মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল পুদুচেরিতে বিধানসভা ভোট হওয়ার কথা।
কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফায় ওই পাঁচটির পাশাপাশি দেশের আরও কিছু রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ করার চেষ্টা হতে পারে।
প্রতি বছরই যেমন নিয়ম মেনে ভোটার তালিকার সংশোধনের কাজ করে নির্বাচন কমিশন, তেমনই এবারও সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। কিন্তু এবার আর তা রুটিন সংশোধন নয় — কমিশন নিজেই মনে করছে, দীর্ঘদিনের প্রক্রিয়ায় অনেক ত্রুটি রয়ে গিয়েছে। ফলে শুরু হচ্ছে ‘স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন’ বা সংক্ষেপে এসআইআর, যেখানে গোটা ভোটার তালিকা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।
কমিশনের বক্তব্য, নাম তোলা ও বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে এবার নিশ্চিত করা হবে দুটি বিষয়—
অর্থাৎ, প্রতিটি নাম নতুন করে যাচাই করে তালিকা প্রস্তুত করা হবে। কমিশন জানিয়েছে, এসআইআরের জন্য নির্দিষ্ট কোনও দিনক্ষণ নেই; প্রয়োজন মনে হলেই এই উদ্যোগ নেওয়া যায়।