
শেষ আপডেট: 31 January 2024 17:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: কর্মী সঙ্কট। সেই কারণে ব্লাড ব্যাঙ্ক থেকে রক্ত পেতে হয়রানির শিকার হচ্ছেন রোগীর পরিজনরা। এমনই অভিযোগে হইচই পড়ল কাটোয়া ব্লাড ব্যাঙ্কে। বুধবার সকাল সাড়ে আটটায় রক্তের রিকুইজিশন জমা দিয়ে পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষার পরও রক্ত মেলেনি বলে অভিযোগ করেন রোগীর স্বজনরা।
কর্তব্যরত ব্লাড ব্যাঙ্কের এক কর্মী রোগীর পরিজনদের জানান, কখন রক্ত দেওয়া যাবে তা বলা যাবে না। একথা শুনে রোগীর পরিজনরা বার দুয়েক হাসপাতাল সুপারের কাছে রক্তের জন্য দরবার করতে যান। তাতেও কোনও কাজ হয়নি বলে অভিযোগ। ঘণ্টা পাঁচেক এরকম পরিস্থিতি চলার পর বেলা দুটো নাগাদ সবাইকে রক্ত দেওয়া শুরু হয়।
সকালে ব্লাড ব্যাঙ্কের এক কর্মী দাবি করেন, ব্লাড ব্যাঙ্কে পর্যাপ্ত রক্ত মজুত আছে কিন্তু কর্মী কম থাকায় এই সমস্যা হচ্ছে। তিনি বলেন, “রোস্টার অনুযায়ী কর্মী না থাকায় আমাদের রাত জেগে টানা ৩৬ ঘণ্টা ডিউটি করতে হয়। সাতজন টেকনিশিয়ান দুজন নার্স, দুজন মেডিক্যাল অফিসার- সহ দুজন জিডিএ নিয়ে কাটোয়া ব্লাড ব্যাঙ্ক চলে। কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে রোস্টার অনুসারে কর্মীরা ডিউটিতে আসেন না।”
হাসপাতালের সহকারী সুপার সৌমাশিস রাউথ বলেন, “কর্মী কম থাকার কথা নয়। আমি এখনই পরিষেবা চালু করার ব্যবস্থা করছি। কর্মীদের রোস্টার অনুযায়ী ডিউটি করতে হয়। একজনকে বর্ধমান মেডিক্যালে কাজে পাঠানো হয়েছে। রক্তের জন্য রোগীর পরিজনদের হয়রানির ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”