
শেষ আপডেট: 4 April 2024 12:16
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাইকে চেপে দূর দূরান্তে চা খেতে চলে যেত বন্ধুরা দল বেঁধে। বনগাঁয় বন্ধুদের নিয়ে বাইক চালিয়ে চা খেয়ে বাড়ি ফেরার পথে ইঞ্জিনভ্যানের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে মৃত্যু হল বাইক আরোহী ও ইঞ্জিন ভ্যান চালকেরও। গুরুতর আহত দুই বাইক আরোহী যুবক বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বুধবার রাত ১১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে বনগাঁ থানার বাগদা সড়কের কাকলেমারি ব্রিজ এলাকায়।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত ভ্যানচালকের নাম তরণী সেন। বাড়ি গোপালনগর থানার চালকি এলাকায়। মৃত বাইক চালকের নাম অর্ক রায় (২১)। বাড়ি বনগাঁ থানার গারাপোতার পাগলতলা এলাকায়। দুর্ঘটনার সময় বাইকে অর্কর সঙ্গে আরও দুই আরোহী ছিলেন। তাঁদের নাম মুস্তাকিন মণ্ডল ও প্রসেনজিৎ মণ্ডল। একই এলাকার বাসিন্দা তাঁরাও। জানা গেছে, দু’জনেরই অবস্থা সঙ্কটজনক।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, বিকট শব্দ শুনে তাঁরা বেরিয়ে এসে দেখেন কয়েকজন রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে। পুলিশকে খবর দিলে তাদের উদ্ধার করে বনগাঁ মহকুমা হাসপাতালে আনলে চিকিৎসক দুজনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। মৃতদের মধ্যে একজন ইঞ্জিনভ্যান চালক তরণী সেন। তাঁরই সঙ্গী বিষ্ণু দাস পুলিশকে জানিয়েছেন, তরণী ইঞ্জিনভ্যান নিয়ে রাস্তার সাইডে দাঁড়িয়েছিল। সেই সময় একটি বাইক দুরন্ত গতিতে এসে ভ্যানে ধাক্কা মারে। সজোরে ধাক্কা তরণী ছিটকে রাস্তায় পড়েন। বাইকটিও দুমড়ে মুচড়ে যায়। বাইকে ছিল তিনজন যুবক। তারাও ছিটকে পড়ে রাস্তায়।
ইঞ্জিনভ্যান চালকের পরিবারের এক সদস্য জানিয়েছেন, বাগদায় একটি মেলায় দোকান দিয়েছিলেন তরণী। রাতে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর পিছনে আরও দুজন সহকর্মীও অন্য ইঞ্জিনভ্যানে আসছিলেন।
সহকর্মী বিষ্ণু দাস বলেন, “দাদা কাকলিমারী ব্রিজ এলাকায় ইঞ্জিনভ্যান নিয়ে রাস্তার বাঁদিকে দাঁড়িয়েছিল। বাইকটি বনগাঁর দিক থেকে এসে সজোরে তাঁর ইঞ্জিনভ্যানে ধাক্কা মারে। বাইকে ছিল তিন যুবক। বেপরোয়া গতিতে এসে বাইকটি ধাক্কা মারায় ভ্যান থেকে ছিটকে রাস্তায় পড়ে তরণী ও বাইকে থাকা তিন যুবক।” খবর পেয়ে ঘটনা স্থলে পৌছায় বনগাঁ থানার পুলিশ। আহত এক যুবক জানিয়েছেন, তাঁরা গোপালনগর চালকি এলাকায় একটি দোকানে চা খেতে এসেছিল। সেখান থেকে রাতে বাড়ি ফিরছিলেন।