
শেষ আপডেট: 26 October 2022 06:05
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাড়ির ড্রাইভারের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে (falling in love) জড়িয়ে পড়েছিল মেয়ে। তাই, 'সম্মান রক্ষার্থে' নিজের হাতে মেয়ে ও তাঁর প্রেমিককে খুন করলেন (honour killing) মা!
ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের (Bihar) বেগুসরাই জেলার অযোধ্যাবাড়ি গ্রামে। মৃত তরুণীর নাম রূপম কুমারী। তাঁর মা অনিতা দেবী ওই গ্রামের সরপঞ্চ বলে জানা গেছে। রামনুনু পাসোয়ান নামে ২৫ বছর বয়সি এক এক যুবক অনিতা কুমারের বাড়িতে গাড়ি চালক হিসেবে কাজ করতেন। সূত্রের খবর, রাজাপুর দুমরি গ্রামের বাসিন্দা ওই যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে অনিতা দেবীর মেয়ে রূপম কুমারীর।
মঙ্গলবার একটি রেললাইনের পাশে রূপম কুমারী ও রামনুনু পাসোয়ানের মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, গাড়ির চালকের সঙ্গে মেয়ের সম্পর্ক মেনে নিতে না পেরে দু'জনকেই খুন করেছেন অনিতা দেবী। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীরা বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে। এরপর নিজেই থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন অনিতা দেবী। যদিও মেয়ে ও গাড়িচালককে খুনের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
তাঁর দাবি, রূপম ও রামনুনু নিজেরা আত্মহত্যা করেছে। মেয়ের সঙ্গে ওই যুবকের সম্পর্কের কথা জানতে পারার পরেই তাঁকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন তিনি। তারপরেই দু'জন আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি ওই সরপঞ্চের।
সূত্রের খবর, চাকরি থেকে বরখাস্ত হওয়ার পরেও ওই তরুণীর সঙ্গে সম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছিলেন রামনুনু। সেই রাগেই দু'জনকে খুন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি গ্রামবাসীদের। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ট্রাক্টর থেকে বালি খালাস করার কাজে সাহায্য করার অনুরোধ করে রামনুনুকে নিজেদের বাড়িতে ডেকে আনেন অনিতা দেবী। ওই যুবক বাড়িতে আসা মাত্রই অভিযুক্ত সরপঞ্চ ও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা রামনুনুকে খুন করে বলে জানা যাচ্ছে।
ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বিষ্ণুপুরে দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে টিউশনের পর ধর্ষণ, গ্রেফতার গৃহশিক্ষক