ভবানীপুরের জমা জল বার করছে গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্ক, তবু রেহাই নেই এলাকাবাসীর
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জল বের করেও রেহাই নেই ভবানীপুরে (bhawanipore)। গোটা এলাকা জলমগ্ন এখনও। দুপুরের পরে বৃষ্টি খানিকটা ধরলেও, জল থেকে যে এখনই মুক্তি পাবে না শহর কলকাতার নানা এলাকা, তা সহজেই অনুমেয়। ভবানীপুরও সেই তালিকায় অন্যতম। জানা গেছে, এই এল
শেষ আপডেট: 29 September 2021 11:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জল বের করেও রেহাই নেই ভবানীপুরে (bhawanipore)। গোটা এলাকা জলমগ্ন এখনও। দুপুরের পরে বৃষ্টি খানিকটা ধরলেও, জল থেকে যে এখনই মুক্তি পাবে না শহর কলকাতার নানা এলাকা, তা সহজেই অনুমেয়। ভবানীপুরও সেই তালিকায় অন্যতম। জানা গেছে, এই এলাকায় গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্কের মাধ্যমে জল তোলা হচ্ছে।
সূত্রের খবর, এলাকা থেকে দ্রুত জমা জল বের করে দেওয়ার জন্য কলকাতা পুরসভার তরফ থেকে ভবানীপুরে কাজে লাগানো হয়েছে চারটি গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্ককে। এক একটি ট্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি দু'হাজার লিটার করে। জল বার করে ফেলা হচ্ছে গঙ্গায়। তার পরেও এখনও বহু জায়গায় জল জমে আছে।
জানা গেছে, ভবানীপুরের যেখানে যেখানে জল জমেছে সেই সেই জায়গা চিহ্নিত করে মোট আটটি পকেটের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। এগুলির মধ্যে তিনটি পকেটের জল দুপুর দুটোর মধ্যেই বের করে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা জানিয়েছেন সেভাবে ভারী বৃষ্টি না হলে বিকেলের মধ্যেই বাকি পকেটের জল বের করে দেওয়া সম্ভব হবে।
ইতিমধ্যেই ভবানীপুরের সমস্ত ওয়ার্ড কো-অর্ডিনেটরদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তাঁরা যেন নিজের নিজের এলাকায় কোথায় জল জমছে সে বিষয়ে অবহিত থাকেন এবং সেই মতো তাঁরা গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্ক পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। এছাড়াও কলকাতা পুরসভার আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তৈরি রাখা হয়েছে অতিরিক্ত ৩৫০টি পাম্প। তার মধ্যে ভবানীপুরের জন্য থাকছে ৩০-৩৫টি অতিরিক্ত পাম্প। এই সংখ্যা আরও বাড়ানো হতে পারে পরিস্থিতি বুঝে। এছাড়াও ভবানীপুরের মধ্যে ৬, ৮ ও ৯-- এই যে তিনটি বোরো রয়েছে, সেখানে এনডিআরএফ-এর একটি টিম মোতায়েন করা রয়েছে।
এমনিতে শহরের কোনও এলাকার জমা জল সরাতে কলকাতা পুরসভার যে অতিরিক্ত পাম্প আছে সেই পাম্পের মাধ্যমে জল টেনে খালে ফেলা হয়। কিন্তু গত কয়েক দিন ধরে একটানা ভারী বৃষ্টি হওয়ায় খালের নাব্যতা কিছুটা কমে গিয়েছে। ফলে খালে জল ফেললে তা পুনরায় শহরে ঢুকে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে জমে থাকা জল সরাসরি টেনে নিচ্ছে গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্ক।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'