ফোনের খরচ ফের এক প্রস্থ বাড়তে পারে, ইঙ্গিত এয়ারটেল কর্তার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সব টেলিকম সংস্থাই ফোনের খরচ বাড়িয়েছিল। সেই সময়ে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করে সকলেই। এবার ফের ট্যারিফ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন ভারতী এয়ারটেলের সিইও গোপাল ভিত্তাল। তিনি বলেছেন, ঠিক মতো ব্যবসা চালাতে গেলে প্রতি মা
শেষ আপডেট: 30 July 2020 18:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে সব টেলিকম সংস্থাই ফোনের খরচ বাড়িয়েছিল। সেই সময়ে নতুন ট্যারিফ ঘোষণা করে সকলেই। এবার ফের ট্যারিফ বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন ভারতী এয়ারটেলের সিইও গোপাল ভিত্তাল। তিনি বলেছেন, ঠিক মতো ব্যবসা চালাতে গেলে প্রতি মাসে গ্রাহক পিছু ২০০ থেকে ৩০০ টাকা আয় হওয়া দরকার। তবে কবে থেকে ফোন কল বা ডেটার দাম বাড়তে পারে তা নিয়ে অবশ্য নির্দিষ্ট করে কোনও ইঙ্গিত দেননি ভিত্তাল।
আরও পড়ুন
জুনে শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে এয়ারটেলের ১৫,৯৩৩ টাকা লোকসান হয়েছে। এর পরেই গোপাল ভিত্তালের এই বক্তব্য ইঙ্গিতবাহী বলে মনে করা হচ্ছে। সদ্য শেষ হওয়া ত্রৈমাসিকে এয়ারটেলের গ্রাহক পিছু মাসিক আয় হয়েছে ১৫৭ টাকা। যেটা আগের ত্রৈমাসিকে (জানুয়ারি থেকে মার্চ) ছিল ১৫৪ টাকা। উল্লেখ্য, গত বছরের ডিসেম্বরে এক লাফে ৪২ শতাংশ ট্র্যারিফ বাড়িয়েছিল এয়ারটেল।
কেন্দ্রীয় টেলিকম দফতরের অ্যাডজাস্টেড গ্রস রেভিনিউ (এজিআর)-এর বকেয়া মেটানো নিয়ে এখন রীতিমতো চাপের মধ্যে রয়েছে ভোডাফোন-আইডিয়া। কিন্তু এয়ারটেলের সেই রকম কোনও সমস্যা নেই বলে জানিয়েছেন সংস্থার চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার বাদল বাগারি। তিনি বলেছেন, এজিআরের টাকা মিটিয়ে দেওয়া নিয়ে কোনও সমস্যাই নেই। সংস্থার আর্থিক অবস্থাও ভাল।
উল্লেখ্য, এয়ারটেলের থেকে এজিআর বাবদ টেলিকম দফতরের প্রাপ্য ছিল ৪৩,৭৮০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ১৮ হাজার কোটি টাকা ইতিমধ্যেই মিটিয়ে দিয়েছে এয়ারটেল। সংস্থার ডিরেক্টর ফিনান্স হরজিত কোহলি জানিয়েছেন, সময় নিয়ে পুরো বকেয়াই মিটিয়ে দেওয়া যাবে। উল্লেখ্য, সংস্থা আগেই সুপ্রিম কোর্টের কাছে বকেয়া মেটানোর জন্য ২০ বছর সময় চেয়েছে।
গত সপ্তাহেই সুপ্রিম কোর্টে টেলিকম দফতরের হিসেব মেনে আয়ের ভিত্তিতে (এজিআর) বকেয়া স্পেকট্রাম ও লাইসেন্স ফি মেটানোর মামলায় শুনানি হয়। সরকারের পক্ষে যে পরিমাণ বকেয়ার কথা বলা হচ্ছে তা বিভিন্ন টেলকম সংস্থা মানতেও রাজি নয়। সেই অভিযোগও রয়েছে সর্বোচ্চ আদালতে। একই সঙ্গে সংস্থাগুলির দাবি, পুরো বকেয়া টাকা একসঙ্গে মিটিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। ২০ বছরের কিস্তির সুযোগ দেওয়া হোক। এনিয়ে শুনানি হবে আগামী ১০ অগস্ট। একমাত্র রিলায়েন্স জিও সব বকেয়া মিটিয়ে দিয়েছে।