শপথ ভেঙে বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের সাহায্য চেয়েছেন ট্রাম্প, ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু কংগ্রেসে
দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করছেন, ঠিক তখনই তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়া চালু করে দিলেন আমেরিকার কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। ট্রাম্পকে যদ
শেষ আপডেট: 25 September 2019 06:30
দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠক করছেন, ঠিক তখনই তাঁর বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়া চালু করে দিলেন আমেরিকার কংগ্রেসের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি। ট্রাম্পকে যদি সত্যিই ইমপিচ করা হয়, তবে তাঁর পদত্যাগ করা ছাড়া উপায় থাকবে না। অভিযোগ, নিজের দেশে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ট্রাম্প বিদেশি রাষ্ট্রপ্রধানের সাহায্য চেয়েছিলেন। এই কাজটি সংবিধান লঙ্ঘনের শামিল।
ট্রাম্প নিজেই কিছুদিন আগে বলেন, তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছিলেন যাতে আমেরিকার প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বিডেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করা হয়। গত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে ডেমোক্র্যাট দলের হয়ে ভোটে দাঁড়াতে চেষ্টা করেছিলেন বিডেন। জনমত সমীক্ষায় দেখা গিয়েছিল, তিনি ট্রাম্পের থেকে অনেক এগিয়ে আছেন।
ট্রাম্প একসময় ভোটে সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের সাহায্য চেয়েছিলেন বলে জানাজানি হওয়ায় তাঁকে ইমপিচ করার জন্য তৎপর হয়ে উঠেছেন ডেমোক্র্যাটরা। স্পিকার ন্যান্সি পেলোসি এক বিবৃতিতে বলেন, ট্রাম্প শপথভঙ্গ করেছেন। খুবই লজ্জার ব্যাপার। তিনি দেশের নিরাপত্তা বিঘ্নিত করেছেন। ভোটের বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করেছেন।
এক সাংবাদিক বৈঠকে বিবৃতি পড়ে শোনান পেলোসি। শেষে তিনি বলেন, আমি আজ ঘোষণা করছি, হাউস তাঁকে ইমপিচ করার প্রক্রিয়া শুরু করছে।
২০২০ সালে আমেরিকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে। তার আগে প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্টের প্রক্রিয়া শুরু হওয়ায় তার প্রভাব পড়বে দেশের রাজনীতিতে। যদিও ডেমোক্র্যাট না রিপাবলিকান, কারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এই ইমপিচমেন্ট প্রক্রিয়া থেকে লাভবান হবে এখনই বলা যাচ্ছে না।
তাঁকে ইমপিচ করার চেষ্টা হচ্ছে শুনেই ট্রাম্প টুইট করেছেন, 'প্রেসিডেন্সিয়াল হ্যারাসমেন্ট'। অর্থাৎ তিনি বলতে চেয়েছেন, এভাবে তাঁকে হেনস্থা করা হচ্ছে।
