মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট— পেশাগত শিক্ষা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিকাশ— এই তিনটি ক্ষেত্র পরস্পরকে জোরদার করছে।
_0.jpeg.webp)
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
শেষ আপডেট: 20 November 2025 13:17
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের তরুণ প্রজন্ম যেন সাফল্যের ধারাবাহিকতা আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল (Bengal shines with the success of lakhs of youth)। এ বছর বিভিন্ন জয়েন্ট এন্ট্রান্স, নার্সিং ও প্যারামেডিকেল সম্পর্কিত পরীক্ষায় প্রায় এক লক্ষ ছাত্রছাত্রী উত্তীর্ণ হয়েছেন। কেউ ANM, কেউ GNM, কেউ বা প্যারামেডিকেলের বিভিন্ন শাখায় জায়গা করে নিয়েছেন নিজেদের প্রচেষ্টা, দক্ষতা ও অধ্যবসায়ের জোরে। বর্তমানে চলছে তাঁদের কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া— বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির দৌড়।
এই বিপুল সাফল্যেকে অভিনন্দন জানিয়ে টুইট করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Chief Minister Mamata Banerjee)। তিনি জানান, রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে (health sector) আরও শক্তিশালী করে তুলতে এই সফল তরুণ-তরুণীরাই ভবিষ্যতের ভরসা। তাঁদের শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ জানান তিনি, কারণ এই সাফল্যের পিছনে সমানভাবে আছে তাদের অদৃশ্য পরিশ্রম ও মানসিক শক্তি।
এবার লাখখানেক তরুণ-তরুণী রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স-এর বিভিন্ন পরীক্ষায় সদ্য সফলভাবে পাস করে এই মুহূর্তে কাউন্সেলিং-এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন, নার্সিং ও প্যারামেডিকেল শিক্ষার নানা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হওয়ার জন্য। আমি এই প্রায় এক লক্ষ সফল তরুণ-তরুণীকে ও তাদের শিক্ষক-শিক্ষিকা তথা…
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) November 20, 2025
মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট— পেশাগত শিক্ষা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্বাস্থ্যব্যবস্থার বিকাশ— এই তিনটি ক্ষেত্র পরস্পরকে জোরদার করছে।
ANM, GNM বা প্যারামেডিকেল পেশায় যোগ দিতে চলা এই পরীক্ষার্থীরা শুধু নিজেদের কর্মজীবনের পথই প্রশস্ত করছেন না, তাঁরা ক্রমশ হয়ে উঠছেন রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থার নেপথ্যের শক্তি। গ্রাম থেকে শহর, রাজ্যের প্রতিটি স্তরে স্বাস্থ্য পরিকাঠামোকে আরও মানবিক, আরও উন্নত করতে তাঁদের ভূমিকা হবে গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষ করে করোনা-পরবর্তী সময়ে রাজ্যে নার্সিং, প্যারামেডিকেল ও সহযোগী স্বাস্থ্যকর্মীদের চাহিদা যে বহুগুণ বেড়েছে, তা সরকারের নজর এড়ায়নি। ফলে এই খাতে আসছে নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাড়ছে আসন সংখ্যা, বাড়ছে চাকরির সুযোগ। আর সেই পথেই এগোচ্ছে নতুন প্রজন্ম— অনেকটা আত্মবিশ্বাসে, অনেকটা স্বপ্নে ভর করে।
রাজ্যের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য দফতরের একাংশের মতে, এ বছর পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের সংখ্যার এই সাফল্য প্রমাণ করে, বাংলার যুবসমাজ স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে কেরিয়ার নিয়ে আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী এবং সচেতন। এঁদের মধ্যে বহুজনই ভবিষ্যতে সরকারি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে কাজ করতে চান, গ্রামীণ স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ভূমিকা রাখতে চান।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টুইটে সেই আশাবাদেরই প্রতিধ্বনি, এই এক লক্ষ পরীক্ষার্থী আগামী দিনে গড়ে তুলবে এক শক্তিশালী স্বাস্থ্যসেবা বাহিনী, যাদের হাতে আরও আধুনিক, আরও মানবিক হবে বাংলার চিকিৎসা ব্যবস্থা।