কয়েকদিন আগেই নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে নতুন আবেদন করে রাজ্য সরকার। জানিয়েছে, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তথ্য তুলে দেওয়ার বিষয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 24 March 2026 12:02
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেলডাঙা মামলায় (Beldanga Incident) সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেয়ে ফের কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) রাজ্য। প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল সরকার। জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আবেদনে আগামী ২৭ মার্চ শুনানির দিন ধার্য করেছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।
বেলডাঙায় অশান্তির ঘটনায় (Beldanga Clash) সুপ্রিম কোর্টে মামলা হলে শীর্ষ আদালত সেটি কলকাতা হাইকোর্টেই ফিরিয়ে দেয়। এমনকী, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ-র (NIA) তদন্তেও কোনও হস্তক্ষেপ করেনি। তবে হাইকোর্টে মামলা ফিরলেও এনআইএ রাজ্যের বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ করে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেও কেস ডায়েরি হস্তান্তর করছে না রাজ্য পুলিশ - এই মর্মেই কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দৃষ্টি আকর্ষণ করে তাঁরা।
কয়েকদিন আগেই নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টে নতুন আবেদন করে রাজ্য সরকার। জানিয়েছে, জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে তথ্য তুলে দেওয়ার বিষয়ে তাদের আপত্তি রয়েছে। রাজ্যের প্রশ্ন, যখন বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টে বিচারাধীন, তখন নিম্ন আদালত কীভাবে তথ্য হস্তান্তরের নির্দেশ দিতে পারে? যদিও এই পরিপ্রেক্ষিতে এনআইএ-র যুক্তি, কেস ডায়েরি হস্তান্তরের ওপর কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তাই অবিলম্বে তা দেওয়া হোক।
কী নিয়ে বেলডাঙা মামলা?
চলতি বছরের জানুয়ারির শুরুতে মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলাজুড়ে উত্তেজনা ছড়ায় এক শ্রমিকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, খুন করে তাঁর দেহ ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছিল। মৃতদেহ এলাকায় পৌঁছতেই বিক্ষোভ বাড়তে থাকে। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ থেকে শুরু করে রেললাইন আটকে দেওয়া- পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়।
শিয়ালদহ–লালগোলা শাখার (Sealdah-lalgola Train) মহেশপুরের কাছে রেললাইনে বাঁশ ফেলে অবরোধ করেন স্থানীয়রা। বাঁশে ঝোলানো ছিল মৃতদেহের ছবি। পুলিশ পৌঁছনোর পর উত্তেজনা আরও বাড়ে। স্থানীয়দের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়ায় পুলিশ। সাংবাদিকরাও আক্রান্ত হন। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে তদন্তভার চলে যায় এনআইএ-র হাতে।