রেস্তোরাঁ মালিক খুনে ধৃত ৩, সুইগি ডেলিভারি বয় জড়িত নয়, বলছে পুলিশ, কে হত্যাকারী তাহলে?
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রেটার নয়ডায় অর্ডার মতো খাবার সরবরাহে দেরির অভিযোগে অনলাইন ফুড ডেলিভারি (online food delivery restaurant) রেস্তোরাঁর মালিককে গুলিতে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। বুধবার কথাকাটাকাটির পর সুইগির এক ডেলিভারি বয় (swiggy de
শেষ আপডেট: 2 September 2021 11:15
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গ্রেটার নয়ডায় অর্ডার মতো খাবার সরবরাহে দেরির অভিযোগে অনলাইন ফুড ডেলিভারি (online food delivery restaurant) রেস্তোরাঁর মালিককে গুলিতে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড়। বুধবার কথাকাটাকাটির পর সুইগির এক ডেলিভারি বয় (swiggy delivery boy), ওই রেস্তোরাঁ মালিককে (restaurant owner) হত্যা করে বলে শোনা গিয়েছিল। আজ পুলিশ প্রথমে জানায়, ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, পলাতক অভিযুক্তের খোঁজ চলছে। পরে বিবৃতি দিয়ে বলে, তাড়া করে তিন অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়েছে। গুলির লড়াইও হয়েছে। তবে ওই তিনজনের কেউই সুইগির ডেলিভারি এজেন্ট নয়।
আরও পড়ুন----ছাত্রদের জন্য বড় ঘোষণা মমতার, বিবেকানন্দ স্কলারশিপের নিয়ম বদলে গেল
গ্রেটার নয়ডার অতিরিক্ত ডিসিপি বিশাল পান্ডে বলেন, মূল অভিযুক্ত বলে চিহ্নিত বিকাশের পায়ে গুলি করা হয়। বাকি দুজন, দেবেন্দর ও সুনীল দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়ে। পুলিশ বলেছে, অভিযুক্তরা রেস্তোরাঁর বাইরে জটলা করছিল। তখন রেস্তোরাঁ কর্মীদের সঙ্গে তর্ক হচ্ছিল ওই ফুড ডেলিভারি এজেন্টের। তারা কোনওভাবে দুজনের বচসার মধ্যে ঢুকে পড়ে। রেস্তোরাঁ মালিক হস্তক্ষেপ করলে তাঁকে গুলি করে তারা। তারা নেশাগ্রস্ত ছিল সম্ভবতঃ।
এজিকে সুইগি বিবৃতি দিয়ে বলেছে, আমাদের রেস্তোরাঁ পার্টনারের মৃত্যুতে আমরা ব্যথিত। তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীরতম সমবেদনা রইল। পুলিশের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে অপরাধের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে ধৃত তিন অভিযুক্তের সঙ্গে কোনওভাবে সুইগির যোগ নেই। বিষয়টি তদন্তের অধীন, আমরা পুলিশকে পূর্ণ সহযোগিতা করছি। আমরা ফের বলতে চাই, সুইগির ডেলিভারি পার্টনাররা যেন ডেলিভারি বয়দের সম্পর্কে খোঁজখবর করে।
নিহত রেস্তোরাঁ মালিককে সুনীল নামে শনাক্ত করা হয়েছে। গ্রেটার নয়ডার মিত্রা সোসাইটিতে জ্যাম জ্যাম ফুড ডেলিভারি রেস্তোরাঁ চালাতেন তিনি। পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার ওই ডেলিভারি বয় চিকেন বিরিয়ানি, পুরি সব্জির অর্ডার সংগ্রহ করতে আসেন। চিকেন বিরিয়ানি সঙ্গে সঙ্গে দেওয়া হলেও দ্বিতীয় অর্ডারটা বানিয়ে দিতে একটু সময় লাগবে বলে রেস্তোরাঁর জনৈক কর্মী ডেলিভারি বয়কে জানান। এত রেগে যান ডেলিভারি বয়। রেস্তোরাঁর কর্মীর সঙ্গে তাঁর বাকবিতন্ডা শুরু হয়। রেস্তোরাঁ মালিক তাঁদের ঝগড়়া থামাতে এগিয়ে আসেন। তখনই তাঁকে গুলি করা হয়। আহত রেস্তোরাঁ মালিককে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছে বলে ঘোষণা করা হয়।