
শেষ আপডেট: 4 October 2021 02:35
अगर प्रदेश का मुख्य मंत्री ही हिंसा फैलाने, समाज को तुड़वाने और क़ानून व्यवस्था को ख़त्म करने की बात करेंगे, तो प्रदेश में क़ानून और सविंधान का शासन चल ही नही सकता।
आज भाजपा के किसान विरोधी षड्यंत्र का भंडाफोड़ हो ही गया।
ऐसी अराजक सरकार को चलता करने का समय आ गया है। pic.twitter.com/kSgk8kiCUx
— Randeep Singh Surjewala (@rssurjewala) October 3, 2021
কিন্তু এমন করলে যে আইনের প্যাঁচে পড়ার আশঙ্কা আছে, কেউ একজন সেকথা বললে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জামিন নিয়ে ভেবো না। সেটা আমরা দেখে নেব। জেলে এক মাস, দু মাস বা ৬ মাস থাকলে তোমরাই বড় নেতা হয়ে যাবে!
গত শনিবার হরিয়ানায় কৃষি আইন বিরোধী আন্দোলনে সামিল কৃষকদের সঙ্গে বিজেপি নেতা-কর্মীদের নতুন করে সংঘর্ষ হয়। ফুঁসছে কৃষকরা। হরিয়ানায় বিজেপি ও জননায়ক জনতা পার্টির নেতাদের বাড়ির বাইরে জড়়ো হন কৃষকরা। ১১ অক্টোবর পর্যন্ত ফসল সংগ্রহ স্থগিত রাখার কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়েন কৃষকরা। পুলিশ তাদের মোকাবিলায় জলকামান ব্যবহার করে। শেষ পর্যন্ত চাপের মুখে হরিয়ানা, পঞ্জাবে রবিবার থেকে ফসল সংগ্রহ শুরু হবে বলে ঘোষণা করে কেন্দ্র। শুক্রবার কৃষকরা উপ মুখ্যমন্ত্রী দুষ্যন্ত চৌতালার ঝাজ্জর জেলার সভাস্থলের দিকে মিছিল করে এগনোর চেষ্টা করলেও তাদের ছত্রভঙ্গ করতে জল কামান কাজে লাগায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার কারনালে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে কৃষকরা ভিতরে ঢুকে পড়লে বিজেপি নেতাদের বৈঠক বন্ধ করে দিতে হয়।
গত মাসেই পুলিশের লাঠির ঘায়ে ১০ কৃষক জখম হন কার্নালে। সেখানকার প্রাক্তন সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেট আয়ুষ সিনহা পুলিশ অফিসারদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, কৃষকরা ব্যারিকেড ভাঙলে ওদের মাথা ভেঙে দিন! যা নিয়ে তুমুল শোরগোল হয়।