উত্তরপ্রদেশে কংগ্রেসের ৪০ শতাংশ টিকিট মহিলাদের, উন্নাও, হাথরসের সেই মেয়েদের জন্য, ঘোষণা প্রিয়ঙ্কার
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশে (uttar pradesh) ধর্ষণ (rape), শ্লীলতাহানি সহ ক্রমবর্ধমান নারী নিগ্রহের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে আসন্ন বিধানসভা ভোট (assembly election) মাথায় রেখে বড় ঘোষণা করলেন প্রিয়ঙ্কা গাঁধী (priyanka gandhi)। কংগ্রেস (con
শেষ আপডেট: 19 October 2021 09:52
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরপ্রদেশে (uttar pradesh) ধর্ষণ (rape), শ্লীলতাহানি সহ ক্রমবর্ধমান নারী নিগ্রহের অভিযোগের প্রেক্ষাপটে আসন্ন বিধানসভা ভোট (assembly election) মাথায় রেখে বড় ঘোষণা করলেন প্রিয়ঙ্কা গাঁধী (priyanka gandhi)। কংগ্রেস (congress) উত্তরপ্রদেশে দলের সাধারণ সম্পাদক করেছে তাঁকে। ইদানীং লখিমপুর খেরিতে গাড়িচাপা দিয়ে কৃষক হত্যা সহ একাধিক ইস্যুতে উত্তরপ্রদেশে খুবই সক্রিয় তিনি। এবার বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে তাঁরা ৪০ শতাংশ টিকিট (ticket) (reservation) মহিলাদের দেবেন বলে আজ ঘোষণা করলেন প্রিয়ঙ্কা।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের লখনউয়ে তিনি বলেন, কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, রাজ্যে মোট আসনের ৪০ শতাংশ কেন্দ্রে মহিলাদের প্রার্থী করবে। মহিলাদের আরও বেশি সংখ্যায় রাজনীতিতে অংশগ্রহণের ডাক দিয়ে প্রিয়ঙ্কা বলেন, ওঁরা চাইলে সব বদলে দিতে পারেন! আমিও একজন মহিলা, লড়তে পারি। আমাদের ৪০ শতাংশ টিকিট মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত উন্নাও, হাথরস, লখনউয়ের দলিত বস্তির সেই মহিলা, সাংবাদিক রমন কাশ্যপের মেয়ের জন্য। একইসঙ্গে মেধা, যোগ্যতার মাপকাঠিতেই মহিলাদের টিকিট দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। প্রিয়ঙ্কার কথায়, এ তো সবে শুরু। ধীরে ধীরে ৫০ শতাংশ টিকিট মহিলাদের জন্য সংরক্ষণের লক্ষ্যে এগব আমরা।
রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, কংগ্রেস উত্তরপ্রদেশে দিনে দিনে দুর্বল হয়েছে। ২০১৯ এর লোকসভা ভোট, রাজ্য বিধানসভার ভোটে তার প্রমাণ মিলেছে। তবে যোগী আদিত্যনাথ জমানায় উন্নাও থেকে শুরু করে একের পর এক নারী নির্যাতনের ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। তাই মহিলা মহলকে এভাবেই বার্তা দিতে চাইলেন উত্তরপ্রদেশে দলকে পুনরুজ্জীবনের দায়িত্ব নেওয়া প্রিয়ঙ্কা। আরেকটি ব্যাখ্যা হল, জাতপাতের সমীকরণের ঊর্ধ্বে উঠে মহিলা ক্ষমতায়নের বার্তাও দিলেন তিনি।
কংগ্রেস সূত্রে খবর, লখনউকে ঘাঁটি করে ২০২২ এর নির্বাচন পর্যন্ত সেখানেই পড়ে থাকবেন প্রিয়ঙ্কা। রাজ্যে দলের প্রচার কর্মসূচি সামলানো ছাড়াও ৭৫টি জেলা ঘুরবেন তিনি। প্রার্থী বাছাই, বিজেপি-বিরোধী দলগুলির সঙ্গে সম্ভাব্য জোট গঠন, কৌশল নির্ধারণ-সবই তাঁর হাতে।
২০১৭র বিধানসভা ভোটে কংগ্রেস সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে নির্বাচনী জোট গড়ে মাত্র সাতটি আসন পেয়েছিল।