দ্য ওয়াল ব্যুরো : মঙ্গলবার ডায়রেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেড থেকে জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে, বিদেশে সব রকমের স্যানিটাইজার ও ভেন্টিলেটর রফতানি বন্ধ। এই আদেশ এখন থেকেই কার্যকরী হবে। কৃত্রিম শ্বাসপ্রশ্বাস চালানোর যন্ত্র, সার্জিকাল ও ডিসপোজেবল মাস্ক এবং মাস্ক তৈরির সরঞ্জামও রফতানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
ভারতে এখন বাজারে চাহিদামতো মাস্ক ও স্যানিটাইজার পাওয়া যাচ্ছে না। সেজন্য হচ্ছে প্যানিক বাইং। অর্থাৎ অনেকে ভয় পেয়ে আগেভাগে বেশি সংখ্যক মাস্ক ও স্যানিটাইজার কিনে রাখছেন।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত করোনাভাইরাসে পৃথিবীতে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৭২ হাজার ৫৫৭ জন। তার মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৬ হাজার ৩১২ জনের। অর্থাৎ মৃত্যুর পরিমাণ মোট আক্রান্তের ৪ শতাংশের একটু বেশি। আর এই ভাইরাসের কবল থেকে ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১ লক্ষ ১ হাজার ৩৭১ জন। এই পরিমাণ আক্রান্তের হিসেবে ২৭ শতাংশের বেশি। অর্থাৎ প্রতি চার জন আক্রান্তের মধ্যে একজন সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
এখনও পর্যন্ত যেমন সবথেকে বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে চিন, তেমনই সবথেকে বেশি সুস্থ হয়েছে সেই দেশেই। চিনে ৮১ হাজার ০৯৩ জনের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭২ হাজার ৭০৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩ হাজার ২৭০ জনের। ইতালিতে ৬৩ হাজার ৯২৭ জন আক্রান্তের মধ্যে সুস্থ হয়ে উঠেছে ৭ হাজার ৪৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬ হাজার ৭৭ জনের। এছাড়া ইরানে ৮ হাজার ৩৭৬, স্পেনে ৩ হাজার ৩৫৫, দক্ষিণ কোরিয়াতে ৩ হাজার ১৬৬ ও ফ্রান্সে ২ হাজার ২০০ জন ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।
করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা গুণোত্তর প্রগতিতে বাড়ায় একদিকে যেমন আশঙ্কা, অন্যদিকে তেমনই এই সুস্থ হয়ে ওঠার সংখ্যায় আশার আলো দেখছেন চিকিৎসকেরা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানাচ্ছে, সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং করতে পারলেই এই ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। চিন সেটা করে দেখিয়েছে। সেই পথেই এগোচ্ছে ইতালি, আমেরিকা, ফ্রান্স-সহ বিশ্বের বেশিরভাগ দেশ।