Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
মাতৃত্বের দুশ্চিন্তা, ‘ভাল মা’ হওয়ার প্রশ্ন—সদগুরুর পরামর্শে স্বস্তি পেলেন আলিয়ালক্ষ্য ২০২৯ লোকসভা ভোট, তড়িঘড়ি মহিলা সংরক্ষণ কার্যকরে মরিয়া মোদী! বাধা হয়ে দাঁড়াবে কি কংগ্রেস?Gold investment: যুদ্ধের বাজারে সোনার দাম কমছে! এটাই কি বিনিয়োগের সেরা সময়? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরারহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটল

করোনায় খুব একটা ভয় নেই হাঁপানির রোগীদের, মৃত্যুর ঝুঁকিও কম, দাবি নতুন গবেষণায়

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শ্বাসযন্ত্রকেই কাবু করে করোনাভাইরাস। আর হাঁপানি হল শ্বাসেরই রোগ। করোনা আর হাঁপানি পাশাপাশি রাখলে আতঙ্কের কারণ তো বটেই। তবে মার্কিন বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা সংক্রমণে খুব একটা ভয় নেই হাঁপানি রোগীদের। অ্যাজমা বা হাঁপানি আছে মান

করোনায় খুব একটা ভয় নেই হাঁপানির রোগীদের, মৃত্যুর ঝুঁকিও কম, দাবি নতুন গবেষণায়

শেষ আপডেট: 1 December 2020 18:30

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শ্বাসযন্ত্রকেই কাবু করে করোনাভাইরাস। আর হাঁপানি হল শ্বাসেরই রোগ। করোনা আর হাঁপানি পাশাপাশি রাখলে আতঙ্কের কারণ তো বটেই। তবে মার্কিন বিজ্ঞানীরা বলছেন, করোনা সংক্রমণে খুব একটা ভয় নেই হাঁপানি রোগীদের। অ্যাজমা বা হাঁপানি আছে মানেই যে চট করে সংক্রমণ ধরে যাবে এমনটা নয়। আর যদি কোনওভাবে কোভিড সংক্রমণ ধরে তাহলেও মৃত্যুর ঝুঁকি কম। বরং দেখা গেছে, অ্যাজমার রোগীদের কোভিডে মৃত্যুহার তুলনায় কম। মার্কিন গবেষণায় এই নতুন তথ্য উঠে এসেছে। বিজ্ঞানীদের গবেষণার রিপোর্ট ছাপা হয়েছে ‘অ্যালার্জি অ্যান্ড ক্লিনিকাল ইমিউনোলজি’ জার্নালে। শীত মানেই হাঁপানির সমস্যা আরও জাঁকিয়ে বসবে। কখনও বুকে চিনচিনে ব্যথা, কখনও দমবন্ধ, হাঁসফাঁস দশা। ঘুমোতে গেলেই বুকের ভেতর সাঁই সাঁই। শ্বাস নিতে গেলে কাশির দমকে অস্থির। ঘন ঘন বুকে কফ,  লাগামছাড়া হাঁচি, টান, অ্যালার্জি, ইনহেলারে কাবু হয়ে পড়ে রোগী। হাঁপানি হয় মূলত শ্বাসনালীতে প্রদাহের কারণে। দীর্ঘকালীন প্রদাহের ফলে শ্বাসনালীর স্বাভাবিক ব্যস কমে যায় এবং সংবেদনশীলতা বাড়ে। ফলে ফুসফুসের ভিতর বায়ু ঢোকা ও বেরনোর পথ সংকীর্ণ হয়ে যায়। শ্বাসনালীর ভেতর মিউকাসের ক্ষরণ বাড়তে বাড়তে সেটা আরও সঙ্কুচিত হতে থাকে। সঠিক চিকিৎসা না হলে শ্বাসনালী পুরোপুরি অবরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে। হাঁপানি যেহেতু শ্বাসযন্ত্রেরই রোগ আর কোভিড সংক্রমণের সিভিয়ার অ্যাকিউট রেসপিরেটারি সিন্ড্রোম দেখা দেয়, তাই হাঁপানি রোগীদের নিয়ে এতদিন চিন্তা বেশিই ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক গবেষণা এই ধারণা বদলে দিয়েছে। Bronchial asthma: What should we do? | theindependentbd.com
হাঁপানি রোগীদের পরীক্ষা করে কী দেখলেন বিজ্ঞানীরা?
হাঁপানির সঙ্গে কোভিড সংক্রমণের যোগ কতটা সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য দিতে পারেননি বিজ্ঞানীরা। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল ও নার্সিংহোমে ভর্তি রোগীদের উপর সমীক্ষা চালিয়ে প্রাথমিকভাবে এই গবেষণার রিপোর্ট সামনে এনেছেন। কী বলছেন বিজ্ঞানীরা? জুন মাস থেকে কোভিড রোগীদের উপর পরীক্ষা শুরু হয়েছিল আমেরিকায়। গবেষকরা বলছেন, প্রায় ৩৭ হাজার অ্যাজমার রোগীদের কোভিড টেস্ট করা হয়েছিল। রিয়েল টাইম আরটি-পিসিআরেই নমুনা পরীক্ষা হয়েছিল যাতে সঠিক রেজাল্ট পাওয়া যায়। তাতে দেখা গেছে ৩৭ হাজারের মধ্যে মাত্র হাজার দুয়েকের কোভিড ধরা পড়েছে। তাও ভাইরাল লোড বেশি খুব কম জনের মধ্যেই। Kerala Ayurveda Bronchial Asthma Treatment, Zero Size | ID: 21447518391 আরও একটি পরীক্ষা হয় বোস্টন হেলথকেয়ার সিস্টেমে। সেখানে ৫৬২ জন হাঁপানির রোগী যারা করোনা পজিটিভ ও ২ হাজার ৬৮৬ জন করোনা রোগী যাদের হাঁপানি নেই, এদের নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা চলে। দেখা যায়, দুই দলের রোগীরাই সংক্রমণ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি, মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনের সাপোর্টও দিতে হয়েছে কয়েকজনকে। তবে হাঁপানি রোগীদের মৃত্যুহার বাকিদের থেকে কম। সংক্রমণ দ্রুত সারিয়ে উঠতেও দেখা গিয়েছে অনেককে।  
সতর্ক কিন্তু থাকতেই হবে
গবেষণায় প্রাথমিক তথ্য এসেছে মানেই ভয়ের কারণ পুরোপুরি চলে গেছে এমনটা বলা যায়না। সতর্ক থাকতেই হবে হাঁপানির রোগীদের। শীত পড়েছে, কাজেই বেশি ঠান্ডা লাগানো চলবে না। সঙ্গে সবসময় ইনহেলার রাখা জরুরি। ঠান্ডা লাগার ধাত থাকলে গরম পোশাক, সোয়েটার, স্কার্ফ সঙ্গে রাখা দরকার। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অফিসে কান-মাথা ভাল করে চাদরে জড়িয়ে বসলে ভাল। প্রতিদিন সকালে উষ্ণ গরম জলে পাতিলেবু ফেলে খেলে দূরে থাকবে হাঁপানি। ভিটমিন সি শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে। তাছাড়া বিশেষজ্ঞরা বলেন, রাতে শোওয়ার আগে এক চামচ মধু খেয়ে শুলেও হাঁচি-কাশি থেকে অনেকটা রেহাই মেলে। ধূমপান অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়ায়। প্যাসিভ স্মোকাররাও কিন্তু সুরক্ষিত নন। আর এই করোনা কালে অতি অবশ্যই মুখে মাস্ক থাকা বাধ্যতামূলক।

```