দ্য ওয়াল ব্যুরো: চলতি মাসের গোড়াতেই জঙ্গি হানায় শহিদ হয়েছিলেন অসম রাইফেলসের এক জওয়ান। মণিপুরে মায়ানমার সীমান্তে নাগা জঙ্গিদের তৎপরতা বেড়েছে বলেও জানা যাচ্ছে। এদিন অরুণাচলের তিরাপ জেলায় অসম রাইফেলসের টহলদারি বাহিনীর উপর অতর্কিতে হামলা চালায় জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় সেনাও। দু’পক্ষের গুলির লড়াইতে শহিদ হয়েছেন এক সেনা জওয়ান।
তিরাপ জেলা মায়ানমারের সীমান্ত এলাকায়। খোনসা রাজু রোডের কাছে এদিন সেনা জওয়ানদের উপর হামলা চালায় জঙ্গিরা। সেনা সূত্রে খবর, তিরাপ, ছাঙ্গলাং, লংডিং এই তিন জেলায় সক্রিয় হয়ে উঠেছে জঙ্গিরা। এদিন গোপন সূত্রে খবর পেয়ে, তিরাপের কয়েকটি জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছিল অসম রাইফেলস। সেই সময় জঙ্গি হামলার মুখে পড়তে হয় সেনাদের। দু’পক্ষের গুলির লড়াই হয় ঘণ্টাখানেক। গুলি লেগে মৃত্যু হয় এক জওয়ানের।
মায়ানমারের দুর্গম পাহাড়-জঙ্গলে ঘাঁটি গেড়েই নাগাল্যান্ড ও মণিপুরে নাশকতা চালায় নাগা জঙ্গিরা। মায়ানমার সীমান্তের মন, অরুণাচল-মায়ানমার সীমান্তের লংডিং বারে বারেই নাগা জঙ্গিদের হামলার মুখোমুখি হয়েছে। নাগা জঙ্গিদের ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দেওয়ার জন্য সীমান্ত পেরিয়ে মায়ানমারের ভিতরে ঢুকে আগেও অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় বাহিনী। সেনাবাহিনীর মতে, এখনও অরুণাচলের নাগাল্যান্ড ও মায়ানমার ঘেঁষা এলাকায় নাগা, আলফা, মণিপুরি জঙ্গিদের গতিবিধি রয়েছে। এমনকি গুয়াহাটিতেওআলফার স্লিপার সেল তৈরির ঘটনা সামনে এসেছে। চলছে নাশকতার পরিকল্পনা।
অক্টোবরের প্রথমেই ছাঙ্গলাং জেলার টেঙ্গমো এলাকায় জলের ট্যাঙ্কার নিয়ে যাওয়ার সময় অসম রাইফেলসের কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। গুলি লেগে প্রাণ গিয়েছিল এক জওয়ানের। গুরুতর জখম হয়েছিলেন আরও একজন।